সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স সর্বোচ্চ ৬৫ বছর করার দাবি জানিয়েছেন তাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।

শনিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোল টেবিল মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার দুই নম্বর আসামি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল, মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন শিকদারসহ প্রমুখ মুক্তিযোদ্ধারা।

অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির বয়ষ বাড়ানোর জন্য আদালতে দায়েরকৃত মামলার অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ওই মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় খুব শিগগিরই প্রকাশ হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের ওই দাবি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করার জন্য আদালত থেকে সরকারের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম বলেন, আদালত থেকে রায়ের বিষয়ে সরকারের প্রতি একটি ইতিবাচক নির্দেশনা পাওয়া গেছে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরা বড় হচ্ছি, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রয়েছে আলাদা মন্ত্রণালয়। অথচ সরকারই মুক্তিযোদ্ধাদের দায়েরকৃত মামলায় প্রতিদ্বন্দ্বীতা বা আপিল দায়ের করে। এটা খুবই দুঃখজনক বিষয়।

মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, আমরা দেশের জন্য সর্ব্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি। এখনো অনেক মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন যারা সবকিছু থেকে বঞ্চিত। কিন্তু তাদের কথা আমরা কয়জন বলছি। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধাদের সরকারি চাকরির বয়স ৬০ বছর রয়েছে।
একে