বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারি সেক্রেটারি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন বলেছেন, ‘সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই একের পর এক জাতীয় নেতাদের হত্যার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। সে ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক সফল মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র চলছে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণ সরকারের এ ষড়যন্ত্র মেনে নেবে না। হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বন্ধ করে অবিলম্বে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি তিনি জোর দাবি জানান। অন্যথায় সরকারকে একদিন ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’

তিনি আজ বুধবার মুজাহিদের রায়ের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী আয়োজিত এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে একথা বলেন। বিক্ষোভ মিছিলটি মগবাজার চৌরাস্তা থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সামাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ড. মু. রেজাউল করিম, জামায়াত নেতা সালাহউদ্দীন, হাবিবুর রহমান, সাইফুল ইসলাম ও ছাত্রনেতা তারিক হাসান প্রমূখ।

সেলিম উদ্দীন বলেন, ‘আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ ইতিহাসের নিকৃষ্টতম মিথ্যাচার। এই অভিযোগে অন্যান্য মামলার আসামীদের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। কিন্তু মুজাহিদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল না এবং এখনও নেই।

বুদ্ধিজীবী হত্যা বিষয়ে স্বাধীনতার পরে ৪২টি মামলা হয়েছে। সেখানে মুজাহিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়নি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও বলেছেন আল বদর কমান্ডার হিসবে মুজাহিদের নাম তিনি কোথাও খুঁজে পাননি।

তাই কথিত যুদ্ধাপরাধে দায়ে মুজাহিদকে অভিযুক্ত করা প্রহসন ছাড়া কিছু নয়। এই প্রহসন সচেতন জনতা কোন ভাবেই মেনে নেবে না বরং যেকোন মূল্যে সরকারি ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।’

প্রসংঙ্গত, জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাসিঁর আদেশের প্রতিবাদে আজ বুধবার রাজধানীর পল্টন, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও মগবাজার সহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা।

এমকে