কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে ৬ মাসের জন্য মুক্তি দিতে আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

তবে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সেই সুপারিশ এসে পৌঁছায়নি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “উনি (আইনমন্ত্রী) যা বলেছেন ঠিক আছে। কিন্তু আপনাদের আর একটু অপেক্ষা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর সিগন্যাল নিয়ে প্রক্রিয়া করতে হবে। উনার ফাইল এখনও অ্যাপ্রুভ এখনও হয়নি।”

তিনি বলেন, “আইনমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়েই বলেছেন। তবে আইনমন্ত্রীর ফাইল এখনও আমাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। না আসা পর্যন্ত তো ওয়েট করতে হবে।”

এর আগে বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর গুলশানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, বয়সের কথা বিবেচনায় নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ৬ মাসের জন্য মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ০৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। রায়ের পর ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাভোগ করছেন। পরে ওই বছরের ৩০ অক্টোবর খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। অন্যদিকে ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’ দুর্নীতি মামলাতেও তার ৭ বছরের কারাদণ্ড হয়।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০১৯ সালের ০১ এপ্রিল থেকে কারা হেফাজতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) প্রিজন সেলে রাখা হয়েছে খালেদা জিয়া।

এমবি