আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বিএনপি নেতা খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, জ্বালাও পোড়াও ছেড়ে দিন, জনগণ চাইলে ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসতেও পারেন।
মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ জ্বালাও পোড়াওয়ের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। এ কারণে জনগণ দ্বিতীয়বারের মত আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছে।
বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা পরিষদ মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, খালেদা জিয়া বলেছিলেন শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন করবেন না। নাকে খত দিয়ে তিনি পৌর নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অংশ নিলেন। সেখানেও জনগণ তাদের প্রত্যাখান করেছেন।
বেসমারিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হচ্ছে ঠিক তখনই বিএনপি-জামায়াত আবার মাঠে নেমেছে। এদের সঙ্গে যোগ হয়েছে জঙ্গিবাদ।
চারদলীয় জোট আমলে দেশে শায়খ আব্দুর রহমান-বাংলা ভাইয়ের রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। আজকে আবারও হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়েছে। মাজারে, মসজিদে হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। তারা জঙ্গিবাদকে আশ্রয় দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে।
পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, দেশবিরোধী অপশক্তিকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করা হবে।
উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শওকত আলীর সভাপতিত্বে জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি তানভীর শাকিল জয়, উপজেলা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক সরকার, পৌর মেয়র নিজাম উদ্দিন।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, চেম্বার প্রেসিডেন্ট আবু ইউসুফ সূর্য্য, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী জান্নাত-আরা-তালুকদার হেনরী, কৃষকলীগ নেতা আব্দুল লতিফ তারিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এমএইচ





