বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, রাজধানীতে যেসব ফ্লাইওভার তৈরি করা হচ্ছে তা শেষ করার পূর্বনির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গেছে কিন্তু এখনো খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে কাজ চলছে। প্রতিনিয়ত বাজেট বাড়ানো হচ্ছে। ফলে মেগা বরকতও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থাৎ মেগা প্রোজেক্ট মানেই মেগা বরকত। আর এসব প্রোজেক্টের কারণে জনগণের ওপর চাপ বাড়বে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে একটি হোটেলে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বিদ্যুতের প্রয়োজন আছে কিন্তু দেশের ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও যদি প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা হবেই। তাহলে কার স্বার্থে তিনি এসব বলছেন? এ সময় দেশের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
চীনা প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর ও চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, চুক্তিগুলো সম্পর্কে কেউ অবগত নন। মিডিয়া না জানলে আমরাও জানি না। কি চুক্তি হবে আমরা কেউ জানি না। তবে ভালো কিছু প্রত্যাশা করি। বাংলাদেশের স্বার্থটা আমরা যতটা না বুঝি অন্যরা তাদের স্বার্থ অনেক বেশি বোঝেন। কেউ আসলে আমরা আশা করি অনেক কিছু হবে, তবে অন্যের লাভের জন্য আমাদের যেন ক্ষতি না হয়।
চীনের সঙ্গে বিএনপির অনেক ভালো সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করেন গয়েশ্বর। তবে চীনের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে কিনা তা জানাতে পারেননি।
বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে দলের আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুসহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এমবিএইচ





