বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিনকে দেশে আনতে ভারতের মেঘালয়ে যাচ্ছেন তার স্ত্রী সাবেক এমপি হাসিনা আহমেদ। আজ রাতে ছোট বোন জামাই মাহবুবুল কবির মুনমুন ও এক নিকটাত্মীয়কে নিয়ে রওনা হবেন তিনি।
বিকালে মাহবুবুল কবির মুনমুন জানান, ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য পাসপোর্ট নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনে যাচ্ছি। আশা করছি ভিসা হয়ে গেলে রাতেই রওনা হব। আমার সঙ্গে হাসিনা আপা ও এক আত্মীয় যাবেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান জানান, ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে সালাহ উদ্দিন ভাইয়ের ছোট ভায়রা ভারতীয় হাইকমিশনে গেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ রাতে সালাহ উদ্দিন আহমেদকে উত্তরার একটি বাসা থেকে সাদা পোশাকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ দুইমাস ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পক্ষ থেকেও তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ভারতের মেঘালয়ের পাসতোর হিলসে মেঘালয় ইস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড নিউরো সাইন্স (মিমহাস) হসপিটালের কর্তৃপক্ষ সালাহ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রীকে ফোন দেন। এসময় সালাহ উদ্দিন তার স্ত্রীকে পাসপোর্টসহ যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দেশে আনার কথা বলেন।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, “এই বিষয়ে (সালাহ উদ্দিনের সন্ধান) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অফিসিয়ালি কিছু জানে না।”
সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে তখনকার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস ছিলেন সালাহ উদ্দিন। পরে তিনি চাকরি ছেড়ে কক্সবাজারের সংসদ সদস্য হন। ২০০১ সালে জোট সরকারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। তার স্ত্রী হাসিনা ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন।
এএইচ





