আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, 'বর্তমান সরকার সম্প্রচার নীতিমালার যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ হবে না; বরং গণমাধ্যম সুশৃঙ্গল নীতি-আদর্শের মধ্যে চলে আসবে।'
মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ- টিসিবি ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, মিডিয়া-বান্ধব সরকার। তারা কখনো গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায় না। এই সরকার মিডিয়া-বান্ধব বলেই ২৪টি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিয়েছে।
সরকার ঘোষিত সম্প্রচার নীতিমালার মাধ্যমে গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করা হবে-বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে হানিফ বলেন, বিএনপির চরিত্রই হচ্ছে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা। তাই তারা একের পর এক মিথ্যাচার করে যাচ্ছে।
২০০১ সালে তারা ইটিভিসহ কয়েকটি গণমাধ্যম বন্ধ করে দিয়েছিল। তাদের শাসনামলে ১৮ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে এবং ৫০-৬০ জন গুরুতর আহত হয়েছে।
পৃথিবীর সবকিছুর কোনো না কোনো নিয়ম রয়েছে। তাই গণমাধ্যমের নিয়ম-নীতি হলে তা দোষের কিছু নয় বলেও জানান তিনি।
সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে বিএনপি আন্দোলনে নামলে আপনাদের অবস্থান কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি কী নিয়ে আন্দোলন করবে তা তারাও জানে না, আমরাও জানি না, জনগণও জানে না। তবে, আন্দোলন করা নয়, সরকাকে ক্ষমতা থেকে সরানোই বিএনপির মূল লক্ষ্য। তাই তাদের আন্দোলনের কোন রুপরেখা নেই।
বিএনপি ক্ষমতায় আসলে সম্প্রচার নীতিমালা সংক্রান্ত এই নতুন আইনকে কালো আইন হিসেবে আখ্যায়িত করে তা বাতিল করবে-বিএনপির এমন ঘোষণার ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে হানিফ বলেন বিএনপি জোটের ক্ষমতায় আসার কোন সম্ভাবনা দেশবাসী দেখছে না।
ঢাকা, এমআর, ৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ





