গাজায় গণ-হত্যাকারীদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তার দলের (বিএনপি) মিল রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ২০১৩ সালের শেষের দিকে বিএনপি যেভাবে পেট্রোল বোমা মেরে, আগুন দিয়ে অসহায় মানুষদেরকে হত্যা করেছ। সেই একই ভাবে গাজায়ও অসহায় নারী-শিশুদের আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জনতার প্রত্যাশা-মুজিব সেনা ঐক্য লীগ’ আয়োজিত “সমুদ্রসীমা বিজয় সফলতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি – দেশবাসীর প্রত্যাখান” শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানবধিকারগুলো দেশের মধ্যে কোন ঘটনা ঘটলেই বিবৃতি দেয়। কিন্তু এখন তারা বিবৃতি দেন না। আসলে মানবধিকার সংগঠনগুলো এখন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
একই অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, গাজায় হামলার বিরুদ্ধে গতকাল মন্ত্রী সভায় নিন্দা প্রস্তাব পাশকরা হয়েছে। এবং সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এদের বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ঈদের পরে বিএনপির আন্দোলের হুমকির কঠোর সমালোচান করে কামরুল বলেন, যতই হুমকি-ধামকি দেন আপনাদের আন্দোলন করার মুরোদ আমাদের জানা আছে। আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের হুমকি দিয়ে লাভ নেই। আমরা যেমন আন্দোলন করতে জানি, তেমনি আন্দোলন ঠেকানোর কায়দাও জানি।
তিনি বলেন, গনতান্ত্রিক ধারায় আন্দোলন করার অধিকার আপনাদের (বিএনপি) আছে। তবে আন্দোলনের নামে যদি নৈরাজ্য করেন তাহলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।
কামরুল বলেন, বিএনপির ইসলামের প্রতি খুব দরদ। কিন্তু তাদের চাল-চলন, চলা-ফেরা, আচার-আচরন, পোষাক-পরিচ্ছদ দেখলে তা মনে হয়না।
তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এখনও ষড়যন্ত্র লিপ্ত রয়েছে। তাই তিনি ও তার ২ পলাতক পুত্র (তারেক-কোকো) ওমরাহ পালনের নামে মক্কায় গিয়ে দেখা করবে।
সংগঠনের সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।
ঢাকা, এমআর , ১৫ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) এসআর





