আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেছেন, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীদের প্রচারণার ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর রকমের বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় পুরানা পল্টনে আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘একদিকে ক্ষমতাসীন দলের ১৬ প্রার্থীর বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলা থেকে রেহাই দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী দলের সমর্থিত ঢাকা দক্ষিনের মেয়র প্রার্থী জামিন পাচ্ছেন না।
‘এরকম হলে এটি ভয়ংকর বৈষম্যমূলক আচরণ। এহেন আচরণ কোনোভাবে আমাদের কাছে গ্রহনযোগ্য নয়।”
এতে সংগঠনের সদস্য সচিব শওকত মাহমুদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, আবদুল হাই শিকদার, প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সদস্য এম আবদুল্লাহ, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাঈদ খোকনের বক্তব্যকে ‘আপত্তিকর’ অভিহিত করে এমাজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সাঈদ খোকনের বক্তব্যে একটি শব্দ আমার কাছে আপত্তিকর মনে হয়েছে। তিনি (সাঈদ খোকন) বলেছেন, জান বাঁচাতে চাইলে ইলিশ মার্কায় ভোট দিন। এটা একটা হুমকি। এরকম কথা শুনতেও খারাপ লাগে।’
নির্বাচন কমিশনের উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহনযোগ্য পরিবেশ সৃষ্টি করা দায়িত্ব-এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘তা না হলে ভোটাররা হতাশ হবে।’
দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের পক্ষে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস বিকালে বংশালে প্রচারকালে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন ‘হামলা চালালোর’ ঘটনার নিন্দাও জানান অধ্যাপক এমাজ উদ্দিন।
সদস্য সচিব শওকত মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশকে আতংকগ্রস্থ করা হচ্ছে। বিরোধী দলের প্রার্থীদের প্রচার কাজে বাঁধা দেয়া হচ্ছে। গতকালও একজন কাউন্সিলর প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ ৬ নং ওয়ার্ডে বিরোধী দলের সমর্থিত প্রার্থী লোকজন নিয়ে প্রচার চালাতে গেলে পুলিশ বাঁধা দিয়েছে। এটা কোনো সুষ্ঠু নির্বাচনের বার্তা বহন করে না।’
এসএইচ





