সংখ্যালঘু নির্যাতনসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে শুধু বিএনপি-জামায়াতকে দোষ দিয়েই পার পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় কি পার পাওয়া গেছে? কার মুখ বন্ধ করবেন? আগে নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে।
শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে 'এট্রোসিটিজ অন মাইনোরিটিজ ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সংখ্যালঘু নির্যাতনের একটির মামলাও তদন্ত হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার সরকার হওয়ার পরও এমনটি হচ্ছে। এটা আমাদের ব্যর্থতা। দেশকে সহিংস রাজনীতির দিকে ঠেলে দেয়ার কারণেই এমনটি হচ্ছে।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন,সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হলেই পুলিশ হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ছয় সাত’শ জনের বিরুদ্ধে মামলা করতো। এতে প্রকৃত অপরাধী চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়তো। এর মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসন মামলার নামে হয়রানির বাণিজ্য করেছে। এর দায়ও সরকারের ওপর বর্তাবে।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় নাগরিক সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেন, নাগরিক সমাজ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসনও যথাযথ ভূমিকা রাখেনি।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য উষাতন তালুকদার এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুহ আলম লেলিন এমপি,জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু,অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান,লেখক কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ,রওনক জাহান,সাংবাদিক অজয় দাস গুপ্ত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
[b]ঢাকা, ১০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]