বর্তমান সরকারের সোনার ছেলেদেরকে হত্যার পিছনেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রি:জে (অব:) আ.স.ম হান্নান শাহ।
মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলতায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তৃনমূল দল কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত জেলা প্রতিনিধি সভা উপলক্ষে বর্ধিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
বর্তমনে বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড সর্ম্পকে তিনি বলেন, এতদিন বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের জঙ্গী-সন্ত্রাসী আখ্যাদিয়ে তথাকথিত বন্ধুক যুদ্ধে হত্যা করা হত। এখন সরকার দলীয় সোনার ছেলেদের হত্যার পিছনে রাজনৈাতিক উদ্দেশ্য আছে। ভবিষ্যতে যাতে করে সরকার পরিবর্তন হলে তাদের মূল তথ্য প্রকাশ না হয়।
হান্নান শাহ বলেন, যে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় সেই সরকার জনগণের সামনে যেতে ভয় পায়। সে জন্য শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যেমে তাদের কিছু উন্নয়ন কর্মকাণ্ড উদ্ধোধন করছেন।
আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, নির্বাচন হবে ২০১৯ সালের আগেই। সরকার মনে করছে বিএনপির কিছু সুযোগ সন্ধানী নেতাদের সাথে নিয়ে ক্ষমতায় থেকে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। সরকারের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, আপনাদের কিছু করতে না পারলে নিজ দলের সুযোগ সন্ধানী নেতাকর্মীকে দেখেই ছাড়বো।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া সহ-দলের শত জনকেও যদি জেলে দেয়া হয়, তবুও ১৯ সালের আগেই তত্তাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে।
১-১১ সময় দলের মধ্যে একবার যড়যন্ত্র সৃষ্টি করেছিলো সুযোগ সন্ধানী নেতারা এমন দাবি করে তিনি বলেন, তাদেরকে একবার ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু দ্বিতীয়বার যারা মামলা হামলা থেকে বাচাঁর জন্য যড়যন্ত্র লিপ্ত হবে, তারা আর রক্ষা পাবে না।
সরকারের উদ্দেশ্যে বিএনপিরে এই নেতা বলেন, জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিন, র্যাব পুলিশ দিয়ে তাদের বাক স্বধীনতা হরণ করবেন না্। খুন-গুম, হত্যা, মামলা দিয়ে তৃণমূলের আন্দোলন অতীতে বন্ধ করতে পারেন নি, এখনও পারবেন না।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মো: হানিফ ব্যপারীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, যুগ্ম-মহাসচিব মো: শাজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবার খন্দকার, জাতীয় পার্টি(জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবীব লিংকন প্রমুখ।
এমএ/এআই





