খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, বকশীবাজার এলাকায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ সঠিক সময় সঠিক সিন্ধান্ত নিয়েছেন- এ জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বীরউত্তম খাজা নিজামুদ্দিন মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ’ আয়োজিত “মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করে বক্তব্য দেওয়ায় তারেক রহমানের বিচার ও শাস্তি চাই এবং চলমান রাজনীতি, ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড পরিহার” শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কামরুল বলেন, দুর্নীতি মামলার বিচার বাধাগ্রস্থ করা বড় দুর্নীতি। ভবিষ্যতে খালেদা জিয়া আদালতে যাবেন না বলেই গত পরশু (বুধবার) একটি অঘটন ঘটিয়েছেন। আগামী ৭ জানুয়ারি তিনি নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে আদালতে যাবে না। তাই এ ক্ষেত্রটি তৈরি করছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, লাঠি নিয়ে আদালতে যাওয়া এটা কোন ধরণের সংস্কৃতি। এ ধরনের আচরণ করে খালেদা জিয়া আদালতকে অপমান করেছেন।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালের মতো দেশে আবারও নৈরাজ্য সৃষ্টি করার একটি পায়তারা চলছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর দেশ শান্তি ফিরে এসেছে। মানুষের মধ্যে এখন আর আতঙ্ক নেই। দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।সেখানে কাউকে আর নৈরাজ্য সৃষ্টির সুযোগ দেয়া হবে না।

আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, এক দিকে বিদেশী বন্ধুদের দিয়ে সরকারকে চাপ সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছে বিএনপি। তারা যতই চেষ্টা করুক, কোন লাভ হবে না। সন্ত্রাস করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ।

মন্ত্রী বলেন, একটু আগে শুনেছি, বিএনপি নেতা গ্বয়েশর রায় গ্রেফতার হয়েছেন।এরপর দেখবেন আস্তে আস্তে বিএনপির সব নেতাকর্মীরা হারিয়ে গেছে। আর একজন আছে দেখবেন কাঁথা বালিশ নিয়ে পার্টি অফিসে ঘুমিয়ে আছে। আর একটু পরপর সাংবাদিকদের ডেকে একটি প্রেসবিফিং করবেন। তাদের আন্দলনের হুমকি কাগুজে। তাদের কোন কিছু করার ক্ষমতা নেই। রাজনীতি করতে ইস্টুমিনা লাগে তা বিএনপির নেই।

একই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বিএনপির সন্ত্রাস মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আগামীতে বিএনপি-জামায়াত রোধে তাদেরকে আরও কার্যকরী ভূমিকা রাখার জন্য আহ্বান জানাই।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালের মতো বাংলাদেশে আর কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার সুযোগ দেয়া হবে না।

আগামীকাল গাজীপুরে কে সমাবেশ করবে বিএনপি না ছাত্রলীগ সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, দেখুন এটা আসলে কি হবে না হবে? এটা আইনশৃঙ্খলা বাহীনিই ভালো জানেন।

সংগঠনের সভাপতি আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে আলোচান সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, উপদেষ্টা জি এম আতিক, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমুখ।

এমআর, জেএ