দল ছুট, দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের অপরাধে বহিস্কৃত এবং নাম মাত্র কয়েকটি খুঁরা দলের নেতাদের নিয়ে এবার এনডিপি থেকে বহিস্কৃত শেখ শওকত হোসেন নিলু রাজনৈতিক জোটের নাম ঘোষণা হচ্ছে আজ রোববার।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে রাজমনি ঈসা খা হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নতুন জোটের নাম ঘোষাণা করবেন বলে জানা যায়। তার এ জোটের সম্ভাব্য নাম ডেমোক্রেটিক ন্যাশনালিস্ট অ্যাল্যায়েন্স (ডিএনএ) অথবা ডেমোক্রেটিক ন্যাশনালিস্ট ফোরাম (ডিএনএফ) হচ্ছে।
জানা যায়,দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে এনপিপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলুর উদ্যোগ নিয়েছেন একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের। তার সমমনা ১০/১১টি নামমাত্র দল নিয়ে জোট গঠন হচ্ছে।
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জোটের বাইরে সুবিধা করা যায় না। ফলে এ জোটের অর্ন্তভুক্ত হবার প্রতিযোগিতা রয়েছে ব্যক্তি নির্ভর ছোট ছোট রাজনৈতিক দলগুলোর। আবার কখনো কখনো এ ছোট ছোট দলগুলোর একটু কদর বাড়ে। আর সেই সঙ্গে আর্থিক সুযোগ সুবিধাসহ ক্ষমতার কাছা কাছি যাবারও সুযোগ আসে। এমন নজির এদেশের রাজনীতিতে অনেক রয়েছে। কারণ রাজনীতি এখন এক ধরনের বিনা পুজিঁতে অনেক লাভ ও সম্মানজনক একটা ব্যবসায় পরিনত হয়েছে। রাজনীতিতে টিকে থাকতে পারলে তাড়াতাড়ি বাড়ি,গাড়ি ও কাড়ি কাড়ি টাকা পয়সার অভাব হয়না এমনটা অহরহ দেখা যাচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে ,গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচন চলাকালীন জোট বিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় মহাসচিব আতিকুল ইসলামকে মুসলিম লীগ থেকে বহিষ্কার করেন দলের চেয়ারম্যান এএইচএম কামরুজ্জামান খান। একই কারণে কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবদুল মালেককে বহিষ্কার করেন দলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.)সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক। এছাড়া ন্যাপ থেকে পদত্যাগ করেন আনোয়ার হোসেন।এ দলছুট নেতাদের নিয়ে নতুন জোট গঠন করা হচ্ছে।
শেখ শওকত হোসেন নিলু সাংবাদিকদের বলেন, তার নেতৃত্বাধীন এ জোট আগামী জাতীয় নির্বাচনেও জোট বদ্ধভাবে অংশ নেবেন।পাশাপাশি নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামেও থাকবেন বলে জানান।
তিনি বলেন, বড় ‘দুই দলই মানুষের কাঙখিত প্রত্যাশা পুরন করতে পারছে না। দেশের মানুষ আর ওই দুই জোটকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আর এ দুই জোট থেকে মেধাবী নেতৃত্ব বেরিয়ে আসছে না ।ি তনি বলেন, তার এ নতুন জোটে ইসলামিক ধারার দলও যোগ দিচ্ছে।
এনপিপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, ২০ দলীয় জোট নেতা খালেদা জিয়া আমাকে (নিলু) বহিষ্কার করতে পারেন না। তিনি অন্যায়ভাবে আমাকে বহিষ্কার করেছেন। আর প্রধানমন্ত্রীর ইফতার মাহফিলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।
প্রসঙ্গ, গত ১৭ জুলাই গণভবনে রাজনীতিবিদদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগ দেন এনপিপির তৎকালীন চেয়ারম্যান শওকত হোসেন নিলু। পরে ১৮ জুলাই দলীয় ফোরামে সভাপতির কাছে এর ব্যাখ্যা চান এনপিপির তৎকালীন মহাসচিব ফরিদুজ্জামানসহ দলের সিনিয়র নেতারা।এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মহাসচিবকে বহিষ্কার করেন নিলু।
এরপর ২০ জুলাই দলের প্রেসিডিয়ামের সভায় শৃঙ্খলা বিরোধী কাজ করায় নিলুকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ফরহাদকে নিযুক্ত করা হয়। এরপর গত ১১ আগস্ট ২০ দলীয় জোট নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে শৃঙ্খলাবিরোধী কাজের অভিযোগে এনপিপি থেকে নিলুকে বহিষ্কার করে জোট।
ঢাকা, একে ২৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম,





