বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালাহউদ্দিন আইউবী বলেছেন, বাংলাদেশের অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলো যখন নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে লিপ্ত, কুৎসা রটনা, চাঁদাবাজী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত ঠিক তখনই আল্লাহ তা'য়ালা ছাত্রশিবিবের নেতাকর্মীদের নিয়মিত মেধার চর্চা ও কল্যাণমুখী কাজে নিয়োজিত করেছেন ।
১৯৭৭ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে যে স্বল্পসংখ্যক মেধাবী ভাইয়েরা আজকের এই কাফেলা প্রতিষ্ঠিত করেছে সেটি বর্তমান বাংলাদেশের শুধু ছাত্র অঙ্গনেই নয় শিক্ষাঙ্গনে, চিকিৎসা অঙ্গনে, কূটনৈতিক অঙ্গনে এবং সকল মেধার চর্চায় অনন্য ভূমিকা পালন করছে।"
কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা কর্তৃক আয়োজিত সাথী মেধা যাচাই পরীক্ষার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অথিতি তার বক্তব্যে আরও বলেন, "ছাত্র জনতার প্রাণের স্পন্দনে পরিণত হয়েছে এই মেধাবী কাফেলা। ছাত্রদেরকে মেধা চর্চায় আরো বেশি শানিত করতে বিগত বেশ কয়েক বছরে বিভিন্ন পর্যায়ের জনশক্তিদেরকে নিয়ে মেধা যাচাই পরীক্ষার আয়োজন করছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এই মেধা যাচাই পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্রশিবির চায়, ছাত্রশিবিরের সর্বস্তরের জনশক্তিরা মেধাচর্চা আরো বাড়িয়ে দিবে এবং জ্ঞান অর্জনের তীব্র আকাঙ্খা লালন করবে।
কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, "একটি বিশেষ ছাত্র সংগঠন নিজেদের অপকর্ম ঢাকার জন্য, ছাত্রশিবিরের মেধার চর্চাকে থামানোর জন্য ঘোষণা দিয়েছে যে, যেখানে ছাত্রশিবিরকে পাওয়া যাওয়া যাবে সেখানেই ছাত্রশিবিরকে মারতে হবে।
এ কথার মাধ্যমে তারা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে তারা তাদের মনুষ্যত্বকে বিসর্জন দিয়ে দিয়েছে। যারা নিজেদের মধ্যে প্রতিহিংসা ছড়ায় এবং যারা আমাদেরকে সর্বাত্মকভাবে জুলুম-নির্যাতনের পরাকাষ্ঠা দিয়ে আটকে রাখতে চায় তাদেরকে বলে দিতে চাই তাদের এই হুংকারে ছাত্রশিবিরের কোন কর্মী ভয় পায় না।
আপনারা যত বেশি আমাদেরকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করবেন আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তত দ্রæতই বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিবেন, ইনশাআল্লাহ। আপনারা আপনাদের এই কথার জন্য বাংলার জমিনে আমাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে বাধ্য হবেন ইনশাআল্লাহ!”
কেন্দ্রীয় সভাপতি ছাত্রশিবিরের সকল পর্যায়ের জনশক্তিদের হিংসার পরিবর্তে মেধার চর্চা দিয়ে বিশ্বকে নিজের পদতলে নেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ( প্রেস বিজ্ঞপ্তি )
এইচএন





