২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় জিয়া পরিবারের জড়িত থাকার বিষয়ে বহু প্রমান রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউয়ে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রেনেড হামলার আগে তারেক জিয়া তার শশুর বাড়ীতে দীর্ঘসময় বৈঠক করেছেন। এছাড়া আরও অনেক ঘটনায় এটা প্রমানিত হয়েছে যে ওই হামলায় খুনি (জিয়া) পরিবারটি জড়িত ছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা পাঁচ বছর ক্ষমতায় ছিলাম। আমরা জঙ্গিবাদকে মদদ দেইনি, সন্ত্রাসবাদকে মদদ দেইনি। বরং জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসকে কঠোর হস্তে দমন করেছি। যারা রাজনীতি করতে চেয়েছে তাদের রাজনীতি করতে দিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য উন্নত বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর কর্নেল রশিদ ও ফারুক বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছে, জিয়াউর রহমান এ হত্যাকান্ডে তাদের সম্মতি দিয়েছে।
তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট ঘটানোর উদ্দেশ্য হলো বাঙালি জাতিকে মাথা উচু দাঁড়াতে না দেয়া। বাঙালি জাতিকে পদানত করে রাখা। যারা এদেশের স্বাধীনতা চায়না। যারা পরাজিত শক্তির তোষামদ করে চলেছে তারাই বারবার বাঙালি জাতিকে আঘাত করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, কোটালিপাড়ায় ৭৬ কেজি ওজনের বোমা ফেঁতে রাখা হয়েছিল। আল্লাহর রহমতে বেঁচে গেছি। সে বোমার তার একজন চায়ের দোকানীর ছেলের হাতে ধরা পড়েছিল।
২০০১ সালের ১ অক্টোবরের নির্বাচনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এ নির্বাচনের পরের দিন ৭১ সালের পর যেমন নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে তেমনই নির্যাতন চালিয়েছে বিএনপি জামায়াত। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কেউই তাদের হাত থেকে সে সময় রক্ষা পায়নি।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের সময়ে একসঙ্গে দেশের ৫০০ স্থানে বোমা হামলা চালানো হয়েছে। এটা কারো পক্ষো সম্ভব নয় বিএনপি ছাড়া। তারা সংসদ সদস্য এএসএম কিবরিয়াসহ আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে।
ঢাকা, ২১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেবি





