হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহার না করায় এবার বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে গুলি করতে অস্ত্র হাতে তার কার্যালয়ের সামনে এলেন মুফিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি।
তিনি নিজেকে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের’ একজন কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুফিদুল ইসলাম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের সামনে আসেন।
এ সময় হঠাৎ করেই তার কোমর থেকে একটি অস্ত্র বের করেন এবং বলতে থাকেন, ‘খালেদা জিয়া কোথায়? হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহার করে নাই কেন? তাকে গুলি করে মারব!’
মফিদুল ইসলামের এমন আকস্মিক আচরণে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার হয়। পরে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন।
দেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী রাজনৈতিক জোটের শীর্ষ নেতাকে এভাবে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেয়ার পরও তাকে পুলিশ আটক না করায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ ব্যাপারে পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকি প্রদানকারী যুবক মুফিদুল ইসলামের কাছ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্রটি লাইসেন্স করা।
লাইসেন্স করা অস্ত্র হলেই একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে এভাবে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেয়া যায় কী না জানতে চাইলে পুলিশের পক্ষ থেকে অবশ্য কিছু বলা হয়নি।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের’ সভাপতি ফাতেমা জলিল সাথী এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট স্বপন চৌধুরীর নেতৃত্বে শতাধিক কর্মী খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাও করতে আসেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে গুলশান গোলচত্বরে বিক্ষোভ দেখিয়ে চলে যান।
এএইচ, কেবি





