আসন্ন সিটি নির্বাচনে প্রত্যেক ভোটার যাতে নিরাপদে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে সে জন্য ভোটগ্রহণের অন্তত এক সপ্তাহ আগে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের আহ্বায়ক ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক কাউন্সিল আয়োজিত ‘গুম, খুন, অপহরন ও গ্রেফতার আতঙ্কের মধ্যে সিটি করপোরেশ নির্বাচন’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ দাবি জানান।
এক অস্বাভাবিক অবস্থায় সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে উল্লেখ করে এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেন, সিটি নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পূন্ন করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সে লক্ষে নির্বাচনের ভোট গ্রহণের অন্তত এক সপ্তাহ আগে সেনাবাহিনী মোতায়নের দায়িত্ব ও তাদের।
এসময় সেনা মোতায়েন না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
সিটি নির্বাচনকে বিএনপি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে উল্লেখ করে এমাজউদ্দিন বলেন, সরকারকে শিক্ষা দেওয়ার একটি মোক্ষম সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। আমরা এ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। আশা করছি, চ্যালেঞ্জে জয়ী হব আমরা।
নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করে আপনাদের সক্ষমতা প্রমাণ করুণ। নয়তো জাতি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আপনাদের ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবে।’
এমাজউদ্দীন বলেন, আমরা প্রতিযোগিতার সমতল ভুমি আশা করি না। তবে ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে এবং প্রার্থীরা যাতে ঠিকমত প্রচারণা চালাতে পারে সে অবস্থা নিশ্চিত করুন।
এসময় বিএনপির তরুণ কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভোট কেন্দ্র নিজের ভোট দেবার পর তোমরা জায়গা ছেড়ে দিবে না, ভোট কেন্দ্র ও ব্যালট বাক্স পাহাড়া দেওয়ার দায়িত্ব ও তোমাদের । তোমরা তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে বিজয় আমাদের নিশ্চিত ।
২০ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের সময় কোথাও কোন অনিয়ম পরিলক্ষিত হয় সাথে সাথে আমাদেরকে জানান, আমরা সারা দেশ সহ গোটা বিশ্বকে তা জানাবো। আর এই জন্য আজ বিকেল থেকে আমরা একটা অফিস খুলছি।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এম হালিমের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার হায়দার আলী, ব্যারিষ্টার পারভেজ আহমেদ, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমউল্লাহ ও হাজী লিটন প্রমুখ।
এমএইচ,এমএ/জেআই





