২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনার মামলা বিচার হীনতার দিকে এগুচ্ছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য নূহ আলম লেলিন।
শনিবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “২০০৪ সালে ২৪ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে গ্রেনেড মেরে হত্যা করা হয়েছে, লক্ষ ছিল নেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। তখন তারা (বিএনপি) জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছিল। তখন থেকে শুরু হয়েছে বিচারের দীর্ঘ সুত্রতা। তার পর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত সাক্ষি গ্রহণ চলছে। আর কত সাক্ষি নিবেন। বিশেষ কারো সাক্ষি নেওয়া বাকি আছে নাকি?”
“আমরা বুজি বিচারের দীর্ঘসুত্রতা করা হচ্ছে মানেই বিচার হীনতা। মানুষের তো একটা ধের্যের সীমা আছে। আমি এর প্রতিবাদ জানাই। আমি বলব, জাস্টিজ ডিলে হচ্ছে মানে বিচার ডিলে হচ্ছে।”
২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শেখ হাসিনার সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় প্রাণ হারান আওয়ামী লীগের তৎকালীন মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন, আহত হয়েছিলেন কয়েকশ মানুষ। সেদিন বেঁচে গেলেও স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
ওই দিন বিকালে আওয়ামী লীগের পূর্বনির্ধারিত সন্ত্রাসবিরোধী শোভাযাত্রার কর্মসূচি ছিল। শেখ হাসিনার বক্তব্যের পরপরই তা শুরুর কথা ছিল। কিন্তু গ্রেনেড হামলায় স্তব্ধ হয়ে যায় সেই কর্মসূচি।
২১ আগস্ট হামলায় তারেক রহমান সরাসরি জড়িত দাবি করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, “ওই দিনের হামলা তারেক রহমানের নির্দেশেই হয়েছিল। তারেকের কেন ফাঁসি হবে না। আগে তাকে আটকাতে হবে। না হলে ২১ আগস্টের মত আরো বহু ঘটনা ঘটে যাবে।”
সম্প্রতি জঙ্গি হামলার ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “একাত্তুরের পরাজিত শক্তিরাই দেশে বিভিন্ন সময় জঙ্গি হামলা করে যাচ্ছে। আর এই জঙ্গি গোষ্ঠিকে আশ্রয় দিচ্ছেন খালেদা জিয়া । বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের আসল নেত্রী খালেদা জিয়া।
তাছাড়া ২১ আগস্টসহ সব বোমা হামলার ঘটনায় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার জড়িত ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সেগুন বাগিচার স্বাধীনতা হলে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ নামের একটি সংগঠন জাতীয় শোক দিবসের এ আলোচনা সভা করে।
ইআর





