বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেন দ্রুত পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন এজন্য দোয়া চেয়েছেন তার বোন সেলিমা ইসলাম।

তিনি জানান, করোনাভাইরাসের মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতিতে আপাতত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বাসা ফিরোজায় রেখেই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (০৮ মে) সেলিমা ইসলাম বলেন, দেশের বর্তমান যে সার্বিক পরিস্থিতি, বৈশ্বিক যে অবস্থা এখন তো অন্য কোথাও চিকিৎসা সম্ভব নয়। সেজন্য তাকে বাসায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। আর যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন, সেই টিমে যারা সদস্য তারা সবাই এক্সপার্ট ফিজিশিয়ান।

মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া তার গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায়’ ওঠেন এবং গত প্রায় দেড় মাস সেখান থেকে আর বের হননি।

খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম বলেন, উনি কোয়ারেন্টিনেই চিকিৎসার মধ্যে আছেন। তার শারীরিক অসুস্থতা এখনো কাটেনি, অগ্রগতি হচ্ছে ধীর গতিতে। এখনো তার হাত-পায়ে ব্যথা আছে, হাতের আঙুল আগের মতই বাঁকা হয়ে আছে, ডায়াবেটিসও পুরো নিয়ন্ত্রণে নেই। খালেদা জিয়া যেন দ্রুত পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন এজন্য দোয়া চেয়েছেন তার বোন সেলিমা।

সেলিমা ইসলাম বলেন, অসুস্থতা থাকলেও উনি রোজা রাখছেন। প্রতিদিন আমরা দুই বোন একসঙ্গে ইফতার করি। আর কেউ থাকে না। রাতে খাবারও একসঙ্গে হয়। আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী (শামীম ইস্কান্দারের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা) বিকালে এসে সব কিছু ঠিকঠাক করে দিয়ে যায়।

গুলশানে খালেদা জিয়ার ভাড়া বাড়ি ‘ফিরোজা’র নিরাপত্তাকর্মীরা জানান, বাসায় প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। চিকিৎসক দলের সদস্য আর কয়েকজন নিকট আত্মীয় ছাড়া আর কারও ঢোকার অনুমতি নেই।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে ৬ মাস সাজা স্থগিত রেখে বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয় সরকার। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় উঠেন অসুস্থ খালেদা জিয়া। বাসার দোতলায় চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে তিনি ১৪ দিন কোয়ারেইন্টাইনে ছিলেন। ওই ১৪ দিন শেষ হওয়ার পর থেকে এখনো তিনি কোয়ারেইন্টানেই আছেন।


এমবি