বিএনপির আসন্ন কাউন্সিলে নিস্ক্রিয় নেতাকর্মীরা কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকছে না বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
আজ শুক্রবার সকালে জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের নবম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে বিএনপির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে দলীয় গঠনতন্ত্র সংশোধনী হবে জানিয়ে গয়েশ্বর রায় বলেন, ‘যারা কাজে নিষ্ক্রিয়, তারা ধর্নায় সক্রিয়, তাদের বাদ দেয়া যাবে না। তারা আশপাশে থাকবে তবে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবে না।’
বিএনপি সমর্থিত ব্যানারভিত্তিক সংগঠনগুলো আসন্ন কাউন্সিলে সহযোগী দল হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘ওয়ান ইলেভেনের সময় যখন রাজনীতির সুযোগ ছিল না তখন প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠান আয়োজন করে এসব সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব সংগঠন বিএনপির স্বীকৃতির ওপর নির্ভরশীল নয়। নিজস্ব গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এসব সংগঠন চলবে।’
এদিকে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান সরকারকে উদ্দেশ করে বলেছেন, বন্দুক দিয়ে বেশী দিন ক্ষমতায় থাকতে পারবেন। কারণ এই বন্দুক বেশিদিন কার্যকর হবে না।
ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মাহবুবুল হক বাবলুর ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় ছাত্রদল আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করতে হবে। আর এ জন্য বাবলুর মত আমাদের মৃত্যুও হতে পারে। তবুও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসনের নেতৃত্বে আন্দোলন জোরদার করতে হবে। হারানো গণতন্ত্র ফিরে আনতে হবে। সাহসিকতার সঙ্গে বর্তমান স্বৈরাচার সরকারের মোকাবেলা করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
নোমান বলেন, আজ যেমন আমরা স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি। ঠিক তেমনি স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধেও আন্দোলন করেছি। কিন্তু এরশাদ টিকতে পারেনি। তাই আমার বিশ্বাস-নির্যাতন, আগ্রাসন চালিয়ে এবং বুলেট ও নেতাকর্মীদের জেলে পুরে করে আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে টিকতে পারবে না। এর আগে বাবলুর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামানায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন ওলামা দল ঢাকা দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রফিক শিকদার।
এসটি





