অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের গুলিতে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন নিহতের ঘটনায় ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে আ’ লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও এমপি মাহবুব আরা বেগমের বক্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বানোয়াট বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। একই সাথে তাদের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।
এক প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের এমপি লিটন হত্যার সাথে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে আ.লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও এমপি মাহবুব আরা বেগম যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীন, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই তারা সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন, এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জামায়াত-শিবির জড়িত। যা কল্পনা প্রসূত ও উস্কানিমূলক বক্তব্য ছাড়া কিছুই নয়।
প্রতিবাদবার্তায় আরো বলা হয়- হত্যাকাণ্ডের পর নিহত এমপি লিটনের স্ত্রী খুরশিদ জাহান সাংবাদিকদের বলেছেন, দলীয় কোন্দলের জের ধরে তার উপর হামলা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, বেশ কয়েক মাস আগ থেকেই দলের স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। এর আগে তার অপসারণের দাবিতে আন্দোলনও করে স্থানীয় আ.লীগ নেতাকর্মীরা।
অথচ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়ন করতে নানক সাহেবেরা মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্যে দিয়ে যাচ্ছেন। যা একটি নির্মম হত্যাকাণ্ডের সাথে তামাশা ছাড়া কিছু নয়। তদন্ত হওয়ার আগেই এ ধরনের বক্তব্যের পেছনে কাউকে আড়াল করার অসৎ উদ্দেশ্যে আছে কি-না তা নিয়ে দেশবাসীর মনে প্রশ্ন জেগেছে।
শিবির নেতৃদ্বয় আরো বলেন, এমন দায়িত্বহীন মিথ্যাচার রাজনৈতিক নোংড়ামি ছাড়া কিছু নয়। গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় থেকে নানক সাহেবের মতো নেতাদের দায়িত্বহীন বক্তব্য নি:সন্দেহে বিচার কার্যে প্রভাব ফেলবে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তাদের প্রতিটি মিথ্যাচার আরেকটি অপরাধকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় জামায়াত শিবিরের নেতা কর্মীদের গণহারে গ্রেফতার ও হামলা মামলার আশঙ্কা করছি।
নেতৃবৃন্দ এ ধরণের মিথ্যা, বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য প্রত্যাহার ও ভবিষ্যতে এমন বানোয়াট বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকতে সকলের প্রতি আহবান জানান। সেইসাথে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খোঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এমবি





