[b]সাতক্ষীরা: [/b]বিএনপি-জামায়াতের যে সকল সন্ত্রাসীরা সাতক্ষীরাকে রক্তাক্ত করেছে তাদের কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবেনা বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার বিকালে সাতক্ষীরা সরকারি বিদ্যালয় মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় তিনি একথা জানান।
বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস রুখতে সাতক্ষীরাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা আপনাদের পাশে আছি, আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নাশকতা করীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন।মনে রাখবেন, নিজেদের শক্তিই বড় শক্তি ।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও  সব সময় আপনাদের পাশে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাতক্ষীরায় সন্ত্রাস নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। এবং বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাস নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত যা যা করা দরকার তাই করা হবে।
বিএনপি নেত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনি (খালেদা জিয়া ) যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর যতই চেষ্টা করুন না কেন আপনি তাদেরকে বাঁচাতে পারবেন না।আমরা এদের বিচার শুরু করেছি। আমরাই একে একে এদের সবার বিচার করবো।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই দেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক। কিন্তু আমাদের দেশে একজন অশান্তি বেগম আছেন। তিনি নির্বাচন ঠেকানোর ঘোষণা দিয়ে ব্যর্থ হয়ে এখন তার সন্ত্রাসী বাহিনী ও জামায়াত-শিবির দিয়ে সারাদেশে তান্ডব চালাচ্ছে। যে ব্যর্থতার আগুনে তিনি নিজে পুড়ছেন, সে আগুনে তিনি দেশকেপুড়িয়ে মারতে চান। আমরা তা হতে দেবো না।
তিনি আরো বলেন, বিএনপির জন্ম হয়েছে সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে। তাদের রাজনীতি দুর্নীতির। এক সময় দেশে শ্লোগান ছিল বিএনপির দুই গুন দূর্নীতি আর মানুষ খুন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনে অংগ্রহন না করে তিনি (খালেদা জিয়া) যে ভুল করেছেন তার খেসারত তাকেই দিতে হবে।
সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামত করতে বিজিবিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
সাতক্ষীরা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে এখানে মেডিকেল কলেজ থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান করেছে, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করেছে। এখনও বিভিন্ন প্রকল্প চলছে। প্রতিটি রাস্তা উন্নয়নের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এসময় সাতক্ষীরায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প স্থাপনের উদ্যোগ নেয়ার অঙ্গীকারও করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বলে কেউ নেই। সবাই এদেশের নাগরিক। এদেশে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলে পাশের দেশ ভারতে মুসলমানরাও সংখ্যালঘু। এদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের স্থান এদেশের মাটিতে হবেনা।