২০ দলীয় জোট নেতা ও জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ১ম ধাপেই এটাই এখন স্পষ্ট ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি ফরমায়েশি নির্বাচনের চক্রান্ত করা হচ্ছে। বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র দাখিলসহ জান-মালের নিরাপত্তা নাই।

বুধবার বিকেলে আসাদ গেট দলীয় কার্যালয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা যুব জাগপার নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিউল আলম প্রধান বলেন, আওয়ামী বর্গীদের হামলায় অনেক প্রার্থী গ্রাম ছেড়ে শহরে আশ্রয় নিচ্ছে। কাগজে-কিতাবে ইলেকশন কমিশন-প্রশাসন থাকলেও মাঠে-ময়দানে তাদের চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায় না। তারপরেও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০ দল আন্দোলন ও গণঅধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই হিসেবে এই নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে। সুতরাং এখন পিছু হটার পথ নাই।

তিনি বলেন, অধিকারহারা পল্লীর ঘরে ঘরে অসন্তোষের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি জাগপাসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের হিম্মতের সঙ্গে পল্লীর জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। বোঝা দরকার নিরাপদ বেষ্টনীতে বসে হুকুম জারী করার দিন শেষ। মাঠের আন্দোলনের সৈনিকেরা এখন নেতাদের তাদের পাশে দেখতে চায়। হিল্লী-দিল্লীর ভরসা করে ক্ষমতা এবং মন্ত্রীত্বের খোয়াব না দেখাই ভাল। তিনি ১৫ মার্চ থেকে ধাপে ধাপে ইউনিয়নে ইউনিয়নে জাগপার গণসংযোগ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

প্রধান আরও বলেন, আজো চাপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিক বেনজিরকে হত্যা করা হয়েছে। দেশবাসীর জিজ্ঞাসা স্বাধীনতার মাসে শহিদ বেনজীরের লাশ কি ভারত বন্ধুদের উপহার? শেখ হাসিনার দুঃসাহসী বক্তব্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, কিন্তু ভারতের প্রশ্ন আসলেই তিনি খামোশ হয়ে যান কেন?

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার লুৎফর রহমান, যুব জাগপর কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ ফায়জুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম জুয়েল, নগর সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবলু, লক্ষ্মীপুর জেলা যুব জাগপার সভাপতি আওলাদ হোসেন জিকু, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মোর্শেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাবেদ হোসেনসহ জেলার যুব নেতৃবৃন্দ।

 

এআইজে