নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ঢাকায় ল্যাবএইড হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

আইভীর চিকিৎসার জন্য ল্যাবএইড হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. বরেণ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক ডা. মাহাবুব উজ্জামান, ডা. মাহবুবুর রহমান, ডা. আবদুস জাহেদ, ডা. অরুণ কুমার শর্মা এবং অ্যানেসথেসিস্ট ডা. মাহবুবুল ইসলাম।

ডা. বরেণ চক্রবর্তী বলেন, ‘আইভীর ব্রেইনে হ্যামারেজ হয়েছে। তবে তিনি এখন আউট অব ডেঞ্জার। তাকে আরও ৪-৫ দিন হাসপাতালে থাকতে হবে।’ তার শরীরে অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও জানান এ চিকিৎসক।

মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জে হকার উচ্ছেদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে সিটি করপোরেশনের মেয়রপন্থীদের সঙ্গে হকারদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এতে আহত হয় সাংবাদিক ও পুলিশসহ অর্ধশতাধিক মানুষ। সংঘর্ষ চলাকালে সময় অস্ত্র হাতে তেড়ে যাওয়া শামীম ওসমানের সমর্থক নিয়াজুল গণধোলাইয়ের শিকার হন।

ঘটনার পর আইভী অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা সবাই শামীম ওসমানের ক্যাডার এবং শামীম ওসমানের নির্দেশে তাকে হত্যার জন্যই এ হামলা হয়েছে। হামলায় তিনি আহত হয়েছেন বলেও জানান। আইভী বলেন, এই হামলায় আমার বোন জামাই, ভাই, কর্মীরা আহত হয়েছে।

আমি মার খেতে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু কর্মীরা মার খাবে— আমি কখনোই চাইনি। আমার ধারণা ছিল— আমি ওখানে বসা থাকলে এ হামলা হবে না, কিন্তু তা হয়েছে। আমার কর্মীদের টার্গেট করে মারা হয়েছে।

এমআর