এবার তিনি যাচ্ছেন সিলেটে। সব ঠিক থাকলে শনিবার (১১ জানুয়ারি) আঞ্জুমানে খেদমতে কুরআন আয়োজিত তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে তিনি বয়ান করবেন।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের তিনি এ তথ্য জানান।

মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, ‘সিলেট বিভাগের বন্ধুরা, ইনশাআল্লাহ আগামীকাল থাকবো সিলেটের এম সি কলেজ ময়দানে, আঞ্জুমানে খেদমতে কুরআন আয়োজিত তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে। আসুন, দেখা হবে, কথা হবে।

এর আগে, শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) রাতে যশোরের পুলেরহাট আদ-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজ মাঠে তিন দিনব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের সমাপনী দিনে বয়ান দেন মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

তখন তিনি বলেন, উগ্রবাদ কিংবা জঙ্গিবাদ নয়, ইসলামের শ্রেষ্ঠত্বের বাণী তুলে ধরতে হবে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে উত্তম পন্থায়। প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের সদ্ব্যবহার করে মানুষকে ইসলামের পথে আনতে হবে। ধাপে ধাপে সংসদকেও ইসলামের আলোয় আলোকিত করতে হবে। একমাত্র ইসলামকে অনুসরণ করেই শান্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত করা যাবে। অন্য কোনো পন্থা শুধু অশান্তিই বয়ে আনবে।

1736501210_1

আজহারী বলেন, ইসলামের আলোকে দেশ সাজাব। কোনো জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস সৃষ্টি এ দেশে হতে দেওয়া যাবে না। ১৫ বছরে দেশে প্রচুর লুটপাট হয়েছে। অন্য দেশ উন্নয়ন করতে ব্যস্ত, তখন আমার দেশের সরকার লুটপাটে ব্যস্ত থাকেন। একদল যায়, আরেক দল এসে লুটে খায়।

জনপ্রিয় এই ইসলামি বক্তা বলেন, সমাজে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিশৃঙ্খলার বিস্তৃতি ঘটেছে। মানুষের কাজে পশুত্বও হার মেনে যায়। ইসরায়েল ফিলিস্তিনে বর্বর হামলা চালাচ্ছে। সভ্যতাকে তারা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

যশোরের আগে গত ২৭ ডিসেম্বর কক্সবাজারের পেকুয়ায় যান মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। তার আসার খবরে মানুষের ঢল নামে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে দেশ ছাড়ার প্রায় সাড়ে ৪ বছর পর চলতি বছরের ২ অক্টোবর দেশে ফিরেছিলেন মিজানুর রহমান আজহারী। তবে মাত্র ৯ দিন দেশে অবস্থান করে ১১ অক্টোবর আবারও মালয়েশিয়া চলে যান তিনি।

১৯৯০ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকার ডেমরায় জন্মগ্রহণ করেন মিজানুর রহমান আজহারী। তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লার মুরাদনগরের পরমতলা গ্রামে।

এসএম