ধৈর্যের প্রতীক হয়ে এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে তামিম ইকবাল। কিন্তু অন্যপ্রান্তে সেই কাজটাই কেউ করতে পারছে না। ব্যর্থতার মিছিলে নাম লিখিয়েছেন দুই অধিনায়কও। সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমকে হারিয়ে আরও বিপাকে বাংলাদেশে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর ২২ ওভারে ১১৪। মাহমুদউল্লাহ ২৭ বলে ২৭ করাতে স্কোরটার চেহারা যা একটু হৃষ্টপুষ্ট দেখাচ্ছে। তামিম ৬২ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত।

ব্যারি ম্যাকার্থির বলে অযথা খোঁচা মেরে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন মুশফিক। একটু পরে অবশ্য সে শটকেও মামুলি বানিয়ে দিয়েছেন সাকিব। তামিমের সঙ্গে চতুর্থ উইকেট জুটিটা মাত্র জমে উঠেছে তাঁর।

ঠিক তখনই তাঁর আক্রমণাত্মক সত্তা জেগে উঠল সাকিবের। পিটার চেজের পর পর দুই বলে চার মেরেও ঠিক তৃপ্তি পেলেন না। অনেক বাইরের একটা বলে উইকেটকিপারের কাছে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন আজকের ম্যাচের অধিনায়ক।

এর আগে সাব্বিরও বাজে শট খেলে আউট হয়েছিলেন। ৭০ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর দলের ভারটা এখন মাহমুদউল্লাহ ও তামিমের কাঁধে।

ডাবলিনের মালাহাইডের সবুজ উইকেটে বিপর্যয় দিয়েই শুরু হয়েছে বাংলাদেশের ইনিংস। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে স্কোরবোর্ডে ১৪ রান উঠতেই ফিরে গেছেন সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমান।

টানা দুই ওভারে দুজনকে ফেরান পিটার চেজ। উইকেট ঘাসে ঢাকা, মেঘলা কন্ডিশন-বাংলাদেশের জন্য কঠিন পরীক্ষা। বল সুইং করছে। তবে একেবারেই ‘আনপ্লেএবল কন্ডিশন’তো নয়!

তবে কন্ডিশনের সর্বোচ্চ ফায়দা নিচ্ছে আইরিশরা। চেজ ৪ রানে তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট। তাঁর প্রথম ও ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে সৌম্য (৫) ফেরেন উইকেটের পেছনে পোর্টারফিল্ডকে ক্যাচ দিয়ে। চেজের পরের ওভারে মাত্রই উইকেটে আসা সাব্বির (০) তুলে মারতে গিয়ে টিম মুরটাগের হাতে ধরা পড়েন থার্ডম্যানে।

এমবি