জোড়া গোল করেছেন কাভানি। একটি করে নেইমার, এমবাপে ও লুকাস মউরা।রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে পিএসজিতে আসা নেইমারকে শুরুতে ভালোই আটকে রেখেছিল স্বাগতিক ডিফেন্ডাররা; কিন্তু বেশিক্ষণ পারেনি। ৩১তম মিনিটে তার সোজাসুজি রক্ষণচেরা এক পাস পেয়ে গোলরক্ষককে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে দলকে এগিয়ে দেন কাভানি।
ছয় মিনিট পর সমতায় ফেরে টেবিলের তলানিতে থাকা দলটি। কাছ থেকে হেড করে গোলটি করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড এমানুয়েল।
দ্বিতীয়ার্ধের একাদশ মিনিটে এমবাপেকে ফাউল করায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ক্যামেরুনের ডিফেন্ডার আসু-একোতো। এক জন কম নিয়ে প্রতিপক্ষের তারকা সমৃদ্ধ আক্রমণভাগকে আর আটকে রাখতে পারেনি তারা।তিন মিনিট পরেই পিএসজির হয়ে গোলের খাতা খোলেন এমবাপে। ডি-বক্সে ঢুকে পড়া নেইমারের উদ্দেশে উঁচু করে বল বাড়িয়েছিলেন তিনি; কিন্তু মাঝপথে ঠেকিয়ে দেন এক ডিফেন্ডার। ফিরতি বল পেয়ে জোরালো শটে জালে জড়ান মোনাকো থেকে ধারে আসা এই তরুণ ফরোয়ার্ড।
১০ মিনিট পর দারুণ এক গোলে ব্যবধান বাড়ান নেইমার। সতীর্থের বাড়ানো বল ধরে কিছুটা আড়াআড়ি গিয়ে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে বাঁকানো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন সাবেক বার্সেলোনা তারকা।
পিএসজির হয়ে চার ম্যাচে নেইমারের এটা চতুর্থ গোল। পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে সমান সংখ্যক গোল করিয়েছেন তিনি।এর ছয় মিনিট পর কাভানি নিজের দ্বিতীয় এবং শেষ দিকে লুকাস মউরা দলের শেষ গোলটি করেন।
গত মৌসুমে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা কাভানি এ মৌসুমে এখন পর্যন্ত লিগে সাতটি গোল করেছেন। পাঁচ ম্যাচের সবকটিতেই জালের দেখা পেয়েছেন উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকার।
টানা পাঁচ জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখলো গতবারের রানার্সআপ পিএসজি।
এমএ





