মাসখানেকের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষে শনিবার সকালে দেশে ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে গত ১৩ আগস্ট ঢাকা ছাড়ে বাংলাদেশ দল।
এরপর থেকে শুধুই ব্যর্থতার গল্প টাইগারদের। ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইট-ওয়াশের পর টেস্ট সিরিজেও একই বৃত্তে বাংলাদেশ। মাঝে একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়।
পুরো সফরে টাইগারদের সাফল্য বলতে ওয়ানডেতে আল-আমিনের বোলিং এবং আনামুল এবং মুশফিকের দুই শতক।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাওয়ার আগে টানা ৯ ওয়ানডেতে হেরেছে টাইগাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজে রেকর্ডটাকে ১২তে উন্নীত করেছেন মুশফিকরা।
টেস্টের পারফরম্যান্স তো যাচ্ছেতাই। দুই টেস্টেই ফলোঅনের তিক্ত স্বাদ নিতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ওপেনিং থেকে শুরু করে টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডার কোনো পজিশনেই ব্যাটসম্যানরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা বারবার ভুল করেই নিজেদের ডুবিয়েছে।
টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনার ব্রেথওয়েট ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন। ৩০তম শতক হাঁকান শিবনারায়ণ চন্দরপল।
টেস্টে সিরিজে তিন ইনিংসে শিবনারায়ণ চন্দরপলকে আউটই করতে পারেনি বাংলাদেশের বোলাররা। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান দুবার আউটের সুযোগ দিলেও মুশফিক ও নাসির সেটিকে কাজে লাগাতে পারেনি।
২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ জয় করে বিজয়ীর বেশে দেশে ফেরে বাংলাদেশ। এবার দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্রিকেটারদের প্রতিভা নিয়ে কোনো প্রশ্ন না থাকলেও, দায়িত্ববোধ নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলছে ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি একাধিকবার মিডিয়াতেও বলেছেন টাইগার দলপতি মুশফিকুর রহিম।
লজ্জা মাথায় নিয়েই শনিবার সকালে ঢাকায় পা রাখছে ক্রিকেট দল। এই দলের ১০ ক্রিকেটার স্বর্ণ জয়ের লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচেনে যাবেন এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে।
এশিয়ান ক্রিকেট দিয়ে আবারো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।
এশিয়ানের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ব্যর্থতার বৃত্তে থাকা বাংলাদেশ কি স্বর্ণ পদক অক্ষুণ্ণ রাখতে পারবে? সে প্রশ্নই এখন ক্রিকেটপ্রেমীদেরা।
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





