জোর গুঞ্জন ছিল, পাকিস্তান সফরে যেতে রাজি না হওয়ায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে খেলানো হবে না মুশফিকুর রহিমকে। কিন্তু কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর চাওয়ায় শেষপর্যন্ত টিকে যান মুশফিক।
মঙ্গলবার সিলেটে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে জিম্বাবুয়েকে চার রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে মুশফিকেরও বড় অবদান রয়েছে। ৫০ বলে খেলেছেন ৫৫ রানের কার্যকর ইনিংস।
তবে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে থাকার পরও শুক্রবার সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে খেলা হচ্ছে না মুশফিকের। পাকিস্তান সফরের কথা মাথায় রেখে শেষ ম্যাচে তাকে বিশ্রাম দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। পাকিস্তান সফরের দলে যারা থাকতে পারেন, শেষ ম্যাচে শুধু তাদেরই সুযোগ দিতে চান নির্বাচকরা। মুশফিকের সম্ভাব্য বিপল্প হতে পারেন ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা আফিফ হোসেন বা মোহাম্মদ নাঈম শেখ।
শেষ ম্যাচে মুশফিককে না খেলানোর বিষয়টি ক্রিকইনফোকে নিশ্চিত করেছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন, ‘মুশফিকুর পাকিস্তানে যাচ্ছে না। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে তার জায়গায় নতুন কাউকে চিন্তা করছি আমরা। মুশফিক এই ম্যাচে খেলবে না। তরুণ কাউকে দেখে নিতে চাই আমরা। চাই না পাকিস্তানে কারও অভিষেক হোক।’
আগামী মাসের শুরুতে একটি টেস্ট খেলতে তৃতীয় দফা পাকিস্তান সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। নিরাপত্তাজনিত কারণে এর আগে দু’বার পাকিস্তানে যাননি মুশফিক। তখন কোনো চাপ না থাকলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মুশফিকের অপরাজিত ডাবল সেঞ্চুরির পর আগের অবস্থান থেকে সরে আসেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান।
তার ভাষ্য ছিল, কেন্দ্রীয় চুক্তির শর্ত অনুযায়ী জাতীয় দলের যে কোনো সফরে যেতে বাধ্য মুশফিক। কিন্তু সব চাপ অগ্রাহ্য করে দ্বিতীয় ওয়ানডের আগেই টিম ম্যানেজমেন্টকে মুশফিক জানিয়ে দেন, এবারও তিনি পাকিস্তান সফরে যাবেন না।
এদিকে ওয়ানডে অধিনায়ক মাফরাফি মুর্তজার ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। এতদিন বলা হচ্ছিল, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলতি সিরিজই অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির শেষ সিরিজ। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে, পাকিস্তানে একমাত্র ওয়ানডেতেও মাশরাফির নেতৃত্বে খেলতে পারে বাংলাদেশ। মাশরাফি আগেই জানিয়েছেন, দলে সুযোগ পেলে পাকিস্তানে যেতে কোনো আপত্তি নেই তার।
এমআর





