জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং জাদু দেখালেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। খাদে পড়া টাইগারদেরকে তুলে নিয়ে গেলেন পাহাড় চূড়ায়। গড়ে তোললেন চট্টগ্রামের মাটিতে সর্বোচ্চ রানের জুটি। সেঞ্চুরি করলেন সাকিব আর মুশফিকের হাফ-সেঞ্চুরি। অভিষেক ম্যাচে আলো ছড়ালেন সাব্বির। এতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের আশা জাগানিয়া স্কোর ২৮১ রান করে স্বাগতিকরা।
শুক্রবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে ৭০ রানে চার উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। অবশেষে সাকিব দলে হাল ধরেন। তার সঙ্গে যোগ্য সঙ্গ দেন মুশফিক। দু'জন গড়ে তোলেন ১৪৮ রানের জুটি।
এদিন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ২০০৬ সালে অভিষেক হওয়া সাকিব। ৯৫ বলে ১০টি চারের সুবাদে শতরান করেন তিনি। এরপর বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। ১০১ রান করে কামুঙ্গিজির বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে পানিয়ানগারার তালুবন্দী হন তিনি।
সাকিবের পর ক্যাচ তুলে দেন মুশফিক। তবে নো বলের সুবাদে সেই যাত্রা থেকে রক্ষা পান তিনি। ক্যারিয়ারের ১৭তম হাফ-সেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরিতে পরিণত করার সুযোগ পান তিনি। শেষ পর্যন্ত সেটা আর সম্ভব হয়নি। ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে পানিয়ানগারার বলে সোলোমোন মিরির তালুবন্দী হন ৬৫ রান করা মুশফিক। এই স্কোর গড়তে দুটি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি।
সাকিব-মুশফিকের পর দলের হাল ধরেন অভিষিক্ত সাব্বির। মাত্র ২৫ বলে তিনটি করে চার ও ছক্কায় হার না মানা ৪৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। যদিও অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন।
এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। কিন্তু দলীয় আট রানে পানিয়ানগারার শিকারে পরিণত হন তামিম ইকবাল (৫)।
তবে এনামুলকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা ঘুরানের চেষ্টা করেন মুমিনুল হক। কিন্তু ১২ রান করা এনামুলের পর মাত্র এক রান করে মাঠ থেকে বিদায় নেন মাহমুদুল্লাহ। মাত্র ৩১ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টাইগাররা। পরে দলীয় ৭০ রানের নাইম্বুর বলে বোল্ড হয়ে মাঠ থেকে বিদায় নেন ৩১ রান করা মুমিনুল।
জিম্বাবুয়ের পানিয়ানগারা সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেন। দুটি উইকেট নেন চাতারা। একটি করে উইকেট পান কামুঙ্গিজি ও নাইম্বু।
জেডআই





