স্টিভেন স্মিথ আর মাইকেল ক্লার্ক বড় জুটি গড়ে বিদায় নিলে ব্যাটিং ক্রিজের দায়িত্ব নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং শেন ওয়াটসন। ক্রিজে থেকে লংকান বোলারদের শাসন করে চলেছেন ম্যাক্সওয়েল। মাত্র ২৬ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১২তম অর্ধশতক হাঁকিয়ে অপরাজিত রয়েছেন ম্যাক্সওয়েল।

৪৫ বলে ৭৬ রানের জুটি গড়ে ম্যাক্সওয়েল ৫৪ রান আর ওয়াটসন ২৪ রানে ব্যাট করছেন।

৪০ ওভার থেকে অজিরা ৪ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২৫৩ রান।

পুল ‘এ’র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে নামে ১৯৯৬’র বিশ্বকাপ জয়ী দল শ্রীলংকা। টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক।

অজিদের হয়ে ব্যাটিং উদ্বোধন করতে আসেন অ্যারন ফিঞ্চ এবং ডেভিড ওয়ার্নার। আর লংকানদের বোলিং সূচনা করেন লাসিথ মালিঙ্গা।

দলীয় ১৯ রানের মাথায় মালিঙ্গার বলে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন ডেভিড ওয়ার্নার। মালিঙ্গার করা পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে তুলে মারতে গিয়ে প্রসন্নের হাতে ধরা পড়ার আগে ওয়ার্নার করেন ৯ রান।

দলীয় ১৯ রানের মাথায় ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারকে হারানোর পর বেশ দেখেশুনে খেলতে থাকেন আরেক ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ এবং তিন নম্বরে নামা স্টিভেন স্মিথ। ইনিংসের নবম ওভারে দলীয় ৪১ রানের মাথায় লংকানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মাঝে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন ফিঞ্চ।

প্রসন্নের ব্যক্তিগত প্রথম ওভারে বলের লাইন মিস করলে উইকেটের পিছনে দাঁড়ানো সাঙ্গাকারার স্ট্যাম্পিংয়ে ধরা পড়েন ফিঞ্চ। আউট হওয়ার আগে তিনি ২৪ বলে ২৪ রান করেন।

দলীয় ৪১ রানে দুই উইকেটের পতনের পর ব্যাটিং ক্রিজে থেকে আরও ১৩৪ রান যোগ করেন তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা স্টিভেন স্মিথ এবং অজি দলপতি মাইকেল ক্লার্ক। তবে, ইনিংসের ৩২তম ওভারের পঞ্চম বলে মালিঙ্গা এ জুটি ভাঙেন।

৬৮ বলে ৬৮ রান করা ক্লার্ককে বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান মালিঙ্গা। আউট হওয়ার আগে ক্লার্ক তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫৭তম অর্ধশতক করেন।

আর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম অর্ধশতক হাঁকিয়ে ৭২ রানে বিদায় নেন স্টিভেন স্মিথ। দিলশানের বলে পেরেরার তালুবন্দি হওয়ার আগে স্মিথ ৮৮ বল মোকাবেলা করে ৭টি চার আর একটি ছক্কা হাঁকান।

পাওয়ার প্লে’র ১০ ওভার থেকে অজিরা দুই উইকেট হারিয়ে তোলে ৪৯ রান। ২০ ওভার শেষে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া তোলে ৮৬ রান। অজিদের দলীয় শতক আসে ১৩৮ বলে। ৩০ ওভার শেষে অজিদের সংগ্রহ দাঁড়ায় দুই উইকেটে ১৫৯ রান।

হাইভোল্টেজ এ ম্যাচের জয়ী দল উঠে যাবে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে। সেই সঙ্গে শেষ আটে ওঠার রাস্তাও পরিস্কার হবে তাদের।

অস্ট্রেলিয়ার মাঠ হলেও সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে লংকানদের অভিজ্ঞতা মন্দ নয়। পরিসংখ্যান বলছে, এ মাঠে শেষ আটবারের লড়াইয়ে ছয় বারই জয় দ্বীপ দেশ শ্রীলংকার। তবে শঙ্কাও রয়েছে। ১৯৯৬-এর বিশ্বকাপ ফাইনালের পর বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত চারবার দেখা হয়েছিল শ্রীলংকা ও অস্ট্রেলিয়ার। একবারও জয় পায়নি লংকানরা।

জেএ