মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ব্যাটে ভর করে রংপুর রাইডার্সকে ১৭১ রানে বড় টার্গেট দিল ঢাকা ডায়নামাইটস। নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করে ঢাকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন সৈকত।

মাত্র ২৮ বলে ৭টি চার ও দুটি বিশাল ছক্কায় ৪৮ রানের অসাধারণ একটি ইনিংস খেলেন সৈকত। তাকে শেষ দিকে সঙ্গ দেন ডোয়েন ব্রাভো ও সেকেগু প্রসন্ন। দু’জনই সমান ১৩ রান করেন। প্রসন্ন থাকেন অপরাজিত।

রংপুরের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট পান সোহাগ গাজী ও শহীদ আফ্রিদি। আর একটি করে উইকেট পান আরাফাত সানি ও লিয়াম ডসন।

এর আগে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ১০ রান করে আউট হন। লিয়াম ডসনের বলে রুবেল হোসেনকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন দেশ সেরা এ অলরাউন্ডার।

১৪তম ওভারের শেষ বলে দলীয় শতক আসে ঢাকার।

দারুণ খেলতে থাকা ঢাকা দলীয় ৭৯ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় উইকেট হারায়। ১১তম ওভারে শহীদ আফ্রিদির বলে নাসির হোসেন ও রবি বোপারা ফেরেন। পরে সোহাগ গাজীয় বলে আউট হন কুমার সাঙ্গাকারা।

নাসির করেন ৩৮ রান। আর সাঙ্গাকারার ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।

শুরুতেই উইকেট হারালেও নাসির হোসেন ও কুমার সাঙ্গাকারার ব্যাটে খুব দ্রুতই দলীয় অর্ধশত রান তুলে নেয় ঢাকা ডায়নামাইটস। ৫.৫ ওভারেই ৫৪ রান তোলে দলটি।

ভালো করেও প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় ঢাকা ডায়নামাইটস। ওভারের তৃতীয় বলে রংপুর রাইডার্সের স্পিনার সোহাগ গাজীর বলে শহীদ আফ্রিদিকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মেহেদি মারুফ।

অথচ প্রথম বলেই ছক্কা হাকান এবারের আসরে চমক জাগানো ব্যাটসম্যান মারুফ। পরেই বলেই আরও একটি চার মারেন। তবে তৃতীয় বলেও মারতে গিয়ে আউট হন।

এর আগে ঢাকা ডায়নামাইটস বিপক্ষে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রংপুর রাইডার্স। আসরের এটি নবম ম্যাচ।

রংপুর এখন পর্যন্ত দুই ম্যাচের দুটিতেই জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে। আর ঢাকা দুই ম্যাচের একটিতে জয় ও অপরটিতে হেরে তিনে রয়েছে। দু’দলেরই এটি তৃতীয় ম্যাচ।

রংপুর রাইডার্স একাদশ: নাঈম ইসলাম (অধিনায়ক), শহীদ আফ্রিদি, সোহাগ গাজী, সৌম্য সরকার, রুবেল হোসেন, আরাফাত সানি, লিয়াম ডসন, রিচার্ড গ্লিসন, মোহাম্মদ মিঠুন, মোহাম্মদ শাহজাদ ও মুক্তার আলী।

ঢাকা ডায়নামাইটস একাদশ: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), কুমার সাঙ্গাকারা, মেহেদি মারুফ, ডোয়েন ব্রাভো, নাসির হোসেন, মোহাদ্দেক হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু ,সানজামুল ইসলাম, রবি বোপারা, মোহাম্মদ শহীদ ও সেকেগু প্রসন্ন।

এমই