ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার সকালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। এ ম্যাচের আগে দেখে নেয়া যাক দুই দলের বেশ কিছু ঘটনা।

* ওয়ানডেতে মোট ১১৭ বার মুখোমুখি হয়েছে এ দু'দল। ৬৭ বার জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আর ৪০টি ম্যাচে জিতেছে ভারত। বাকি ১০ ম্যাচ পরিত্যক্ত।

*বিশ্বকাপে মোট ১০ বার মুখোমুখি লড়াইয়ে সাতবার জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। বাকি তিনটিতে জিতেছে ভারত।

* বিশ্বকাপে এই প্রথমবার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দল দুটি। ইতোপুর্বে নক আউট পর্বে দুই বার মোকাবেলায় উভয় দলই একবার করে জয়ী হয়েছে(২০০৩ ফাইনালে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ২০১১ কোয়ার্টার ফাইনালে জয় পেয়েছে ভারত।

* নিজ মাঠে সর্বশেষ ১২ ওয়ানডে ম্যাচে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

* টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত অ্যারন ফিঞ্চের বিপক্ষে ছয় বার এলবিডব্লিউ'র আবেদন করা হয়েছে, যা আর কোন খেলোয়াড়ের বিপক্ষে হয়নি।

* পাকিস্তানের সর্ব প্রথম এলবিডব্লিউ'র আবেদনে ২৮ রানে তাকে বিদায় নিতে হয়।

* গড়ে কমপক্ষে ৫০ এবং একশ’র বেশি স্ট্রাইক রেটে বিশ্বকাপে ৫০০’র বেশি রান করা মাত্র দু’জন খেলোয়াড়ের মধ্যে একজন হলেন অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়াটসন (অপরজন দক্ষিণ আফ্রিকার এবি ডি ভিলিয়ার্স)।

* ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিনের করা ৫৪ বলে চারটি বাউন্ডারি এবং সাতটি ওভার বাউন্ডারি হাকিয়ে ৭৭ রান করেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তিনি মাত্র একবার আউট হয়েছেন।

* টুর্নামেন্টে সব চেয়ে কম (৩০%) ডট বলের মালিক ম্যাক্সওয়েল (অন্তত ৫০ বল মোকাবেলা করেছেন এমন খেলোয়াড়দের মধ্যে)। ১৬৪ বলে তিনি ৩০১ রান করেছেন।

* ওয়ানডে ক্রিকেটে জেমস ফকনারের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে ১০৮ বলে ১২৪ রান করেছেন রোহিত শর্মা, একবারও আউট হননি তিনি।

* মোহাম্মদ সামি (৬৯%) এবং মিচেল স্টার্ক (৬৮%) টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ডট বল দিয়েছেন (অন্তত ৫০ বল করেছেন এমন খেলোয়াড়দের মধ্যে।

* অস্ট্রেলিয়ায় ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বোলিং গড় (১৭.৪) এবং স্ট্রাইক রেট (২২.৫) মিচেল স্টার্কের (কমপক্ষে ৫০ উইকেট শিকারীর মধ্যে)।

* সিডনিতে ওয়ানডে ম্যাচে শেন ওয়াটসন তার শেষ চার ইনিংসে তিন বার এবং ছয় ইনিংসে চার বার হাফ সেঞ্চুরি করেছেন।

জেডআই