পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে লড়াইটা বেশ জয়ে উঠেছিল। ঢাকা ডায়নামাইটস ও খুলনা টাইটানসের কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। তবে শেষ পর্যন্ত এই লড়াইয়ে জিতল সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটস।
রংপুর রাইডার্সকে ৪৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো ঢাকা ডায়নামাইটস। যার অর্থ হলো প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে কুমিল্লার বিপক্ষে খেলবে ঢাকা।
আর এলিমিনেটর পর্বে খেলবে খুলনা টাইটানস ও রংপুর রাইডার্স। প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচের পরাজিত দল ও কোয়ালিফার ম্যাচের জয়ী দল নামবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে।
আজ শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে লো স্কোরিং ম্যাচে জিতেছে ঢাকা ডায়নামাইটস। প্রথমে ব্যাটিং করে সাত উইকেটে ১৩৭ রান সংগ্রহ করে ঢাকা। জবাবে মাত্র ৯৪ রানই তুলতে সমর্থ হয় রংপুর।
১৩৮ রানের সহজ লক্ষ্যটাকে রংপুরের জন্য দূরহ করে তোলেন সাকিব আল হাসান, সুনিল নারাইন ও মোহাম্মদ আমির। ১২ ওভারে এই তিন বোলার দেন মাত্র ৪৬ রান। সেই সঙ্গে তুলে নেন পাচঁটি উইকেট।
ঢাকার বোলারদের দাপটে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো রংপুর তুলেছে ২০ ওভারে মাত্র ৯৪ রান। সবোর্চ্চ ২৮ রান করেন রবি বোপারা। অন্যদের মধ্যে ২৬ রান করেন জনসন চার্লস। বাকিদের মধ্যে দুই অংক পেরোতে পারেন কেবল নাহিদুল (১৩)।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি ঢাকা ডায়নামাইটসের। দলীয় মাত্র ৫ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারিয়ে বসে তারা।
সে ধারাবাহিকতা ছিল পুরো ইনিংসেই। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে তাদের সংগ্রহটাও তাই খুব একটা বড় হয়নি। নির্ধারিত ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রান করেছে তারা।
ঢাকার এই ইনিংসে সর্বোচ্চ সংগ্রহ অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৩৩ বলে ৪৭ রানের একটি ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মেহেদী মারুফের, ২৩ বলে ৩৩ রান করেন। আর অন্যরা ছিলেন আসা-যাওয়ায়।
মাশরাফির অনুপস্থিতে রংপুরের বোলিং লাইন ছিল দুর্দান্ত। রুবেল হোসেন ও এবাদত হোসেন দুটি করে উইকেট নেন। আর একটি করে উইকেট পান আবদুর রাজ্জাক ও নাহিদুল ইসলাম।
এমএ





