কাইল কোয়েটজারের সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়েছে স্কটল্যান্ড। জয়ের জন্য টাইগারদেরকে ৩১৯ লক্ষ্য বেধে দিয়েছে আইসিসি'র সহযোগী দলটি।
বৃহস্পতিবার নেলসনের স্যাক্সটন ওভালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩১৮ রান করেছে স্কটল্যান্ড।
ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ক্যালাম ম্যাকলয়েডকে হারায় স্কটল্যান্ড। মাশরাফি বিন মুর্তজার বলে কাভারে মাহমুদুল্লাহর হাতে ধরা পড়েন ম্যাকলয়েড।
দশম ওভারে আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। হ্যামিশ গার্ডিনারকে সৌম্য সরকারের ক্যাচে পরিণত করেন এই তরুণ পেসার।
৩৮ রানে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া স্কটল্যান্ড প্রতিরোধ গড়ে কোয়েটজার ও ম্যাট মাচানের ব্যাটে। তৃতীয় উইকেটে ৭৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই জনে।
প্রথমবারের মতো বল করতে এসেই ১৪.১ ওভার স্থায়ী জুটি ভাঙেন সাব্বির রহমান। মাচানের ফিরতি ক্যাচ নিয়ে ওয়ানডেতে নিজের প্রথম উইকেট নেন এই লেগস্পিনার।
চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক প্রেস্টন মমসেনের সঙ্গে কোয়েটজারের ১৪১ রানের দারুণ জুটিকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড। ৩৮ বলে ৩৯ রান করে মমসেন নাসির হোসেনের শিকারে পরিণত হলে ভাঙে ১৮.৫ ওভার স্থায়ী বিপজ্জনক জুটি।
নাসিরের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ১৫৬ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন কোয়েটজার। বিশ্বকাপের ইতিহাসে স্কটল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে শতক করেন এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।
বিশ্বকাপে সহযোগী দেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে দেড়শ’ করার কৃতিত্ব দেখান কোয়েটজার। তার ১৩৪ বলের ইনিংসটি ১৭টি চার ও ৪টি ছক্কা সমৃদ্ধ।
ম্যাথু ক্রসের সঙ্গে অ্যান্ডি বেরিংটনের ৩৯ রানের জুটিতে তিনশ’ রান পার হয় স্কটল্যান্ডের সংগ্রহ। ১৬ বলে ২৬ রান করা বেরিংটনকে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসবন্দি করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন তাসকিন।
তাসকিনের সেই ওভারের প্রথম বলে জীবন পেলেও শেষ বলে আর পারেননি ক্রস। সাব্বির রহমানের ক্যাচে পরিণত হয়ে বিদায় নেন তিনি।
৪৩ রানে ৩ উইকেট নিয়ে তাসকিনই বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার। নাসির হোসাইন ৫ ওভারে ৩২ রান দিয়ে তুলে নেন দুটি উইকেট। একটি করে উইকেট পান মাশরাফি, সাকিব ও সাব্বির।
জেডআই





