ক্রিকেটে ফাস্ট বোলারের সঙ্কট মোকাবেলায় সারা দেশের প্রায় ৪৫ হাজার আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৫০ জনের মতো ফাস্ট বোলারকে প্রাথমিকভাবে বেছে নেবেন একটি মোবাইল ফোন কোম্পানির সহযোগিতায় বিসিবির নির্বাচকরা।
রোববার থেকে দেশের বিভিন্ন জেলাতে ক্যাম্প বসেছে একটি মোবাইল ফোন কোম্পানির সহযোগিতায়।
কর্মকর্তারা আশা করছেন, এসব ক্যাম্প থেকে তারা ভবিষ্যতের জন্যে কিছু পেসার শিকার করতে পারবেন।
বিসিবির মুখপাত্র জালাল ইউনুস বলেছেন, ৪৫,০০০ আবেদন পড়েছে। সেখান থেকে ৭,০০০ বোলারকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়েছে। তাদের মধ্য থেকে ৩৫/৫০ জনের মতো প্রতিভাবান ফাস্ট বোলার সংগ্রহ করা হবে।
জালাল ইউনুস বলেছেন, গতি, দক্ষতা, ইন সুইং আউট সুইং করার ক্ষমতা এসব বিবেচনা করেই তাদেরকে বাছাই করা হবে।
তিনি বলেন, অনেকের মধ্যে এমনিতেই এই দক্ষতা থাকে, তাদেরকে চিহ্নিত করার পর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদেরকে দক্ষ পেসার হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর আগে ২০০৮ সালে এরকম এক পেসার হান্ট আয়োজন করা হয়েছিলো যেখানে থেকে রুবেল হোসেনের মতো বোলার পাওয়া গিয়েছিলো।
কর্মকর্তারা বলছেন, মাঝখানে একটা লম্বা সময় পর আবারও নতুন পেসার খুঁজে বের করার সময় হয়েছে।
জালাল ইউনুস বলেন, যতোটা সহজে ব্যাটসম্যান পাওয়া যায় বাংলাদেশে ততো সহজে ফাস্ট বোলার পাওয়া যায় না। তবে তারপরেও ব্যাটসম্যান ও স্পিনারের খোঁজে এরকম প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে।
পেসার হান্ট কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচক ও কোচরা প্রতিভাবান ফাস্ট বোলারদের বাছাই করবেন।
তবে বিসিবির মুখপাত্র বলেন, স্কুল টুর্নামেন্ট এবং অনূর্ধ্ব ১৪ ও অনূর্ধ্ব ১৬ জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট থেকেও প্রতিভাবান ক্রিকেটার বের হয়ে আসে।
এমবি





