ওপেনার দিমুথ করুনারত্নের সেঞ্চুরিতে পাল্লেকেলেতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিন শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে কিছুটা হলেও ভালো অবস্থায় শ্রীলংকা।
প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেটে ২৭২ রান করেছে লংকানরা। টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া করুনারত্নে ১৩০ রানে আউট হন। এই টেস্টেও বল হাতে নৈপূণ্য দেখাচ্ছেন পাকিস্তানের স্পিনার ইয়াসির শাহ। প্রথম দিনে ৪ উইকেট শিকার করেছেন তিনি।
পাল্লেকেলেতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্বান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক মিসবাহ উল হক। দলীয় ১৫ রানে ওপেনার কৌশল সিলভাকে হারায় শ্রীলংকা। ৯ রান করেন তিনি। এরপর দলের স্কোর বড় করার দায়িত্বটা ভালোভাবেই পালন করেন আরেক ওপেনার করুনারত্নে ও উপুল থারাঙ্গা। এই দু'জনের ব্যাটে চড়ে দলের স্কোর লাঞ্চের পর শতরানের কোটাও পেরিয়ে যায়। এই জুটি আরও ভয়ংকর হবার আগেই, তাতে ভাঙ্গন ধরান পুরো সিরিজে দারুন বল করা পাকিস্তানের স্পিনার ইয়াসির। ৪৬ রান করা থারাঙ্গাকে আউট করেন ইয়াসির। ফলে ভাঙ্গে ৯১ রানের জুটিও।
দ্বিতীয় উইকেট পতনের কিছুক্ষণ পর কিছু সময়ের মধ্যে আরও ২ উইকেট হারিয়ে দারুন চাপে পড়ে যায় শ্রীলংকা। ১৩৩ থেকে ১৩৭ রানের লাহিরু থিরিমান্নে ও অধিনায়ক এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ প্যাভিলিয়নে ফিরেন। দু'জনকেই সাজঘরের ঠিকানা দেন ইয়াসির। থিরিমান্নে ১১ ও ম্যাথুজ ৩ রানে আউট হন।
তবে অন্য প্রান্তে ব্যাট হাতে অবিচল ছিলেন করুনারত্নে। উপরের সারির ব্যাটসম্যান না পারলেও, মিডল-অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান জেহান মুবারক ও দিনেশ চান্ডিমাল কিছুসময়ের জন্য হলেও করুনারত্নেকে ঠিকই সঙ্গ দিয়েছেন। তাতে ১৮তম টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির স্বাদটা ঠিকই পান করুনারত্নে।
সেঞ্চুরির পরও ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেছিলেন করুনারত্নে। কিন্তু ১৩০ রানের বেশি এগোতে পারেননি তিনি। ১৪টি চারের সহায়তায় ২৩০ বলে মূল্যবান ইনিংসটি সাজান করুনারত্নে।
২৪৮ রানে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে করুনারত্নে বিদায়ের পর, শ্রীলংকা ইনিংস দিন শেষে করতে পারে ৮ উইকেটে ২৭২ রান। মুবারক ২৫ ও চান্ডিমাল ২৪ রান করেন। পাকিস্তানের ইয়াসির ৪টি, রাহাত ও আজহার ২টি করে উইকেট শিকার করেছেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর কার্ড (প্রথম দিন শেষে) :
শ্রীলংকা : ২৭২/৮, ৮৬ ওভার (করুনারত্নে ১৩০, থারাঙ্গা ৪৬, ইয়াসির ৪/৭৭)।
জেডআই





