ক্রিকেটে একটা কথা আছে, বড় জুটি গড়ার পর কোনো একজন ব্যাটসম্যান আউট হলে অপরজনও দ্রুত আউট হন। ইংল্যান্ডের বেলায়ও তাই হলো জনি বেয়ারস্টোর পর দ্রুতই সাজঘরে ফিরলেন সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখা বেন স্টোকস।
বেন স্টোকসকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। এর কিছুক্ষণ পরেই আদিল রশিদকে আউট করে নিজের পাঁচ উইকেট পূরণ করে নেন সাকিব। এর আগে বেয়ারস্টো এবং স্টোকসের ১২৭ রানের জুটি ভাঙেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। অভিষেকে এটা তার প্রথম শিকার। তৃতীয় দিন শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭৩ রানের লিড দিয়েছে ইংলান্ড।
এর আগে শনিবার সকালে মাত্র ২৭ রানে স্বাগতিক বাংলাদেশ শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে গুটিয়ে যায় ২৪৮ রানে।সবমিলে শেষ ৫৫ রানে পড়ে ৮ উইকেট।
এরপর সফরকারী ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। সাকিব আল হাসান, তাইজুল ইসলাম আর মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিজাদুতে ৬২ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলে শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানকে।
ইনিংসের প্রথম আঘাত হানেন প্রথম ইনিংসে ইংলিশদের ৬ জনকে তুলে নেয়ার নায়ক মিরাজ। দলীয় ২৬ রানে অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুককে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করান তিনি।
এরপর আঘাত সাকিবের। এক রান তোলার পরেই জো রুটকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি।
মধ্যাহ্ন বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে সাকিব ফের আঘাত হানেন। দলীয় ২৮ রানে ফিরিয়ে দেন ১৫ করা ওপেনার বেন ডাকেটকে। এরপর দলীয় ৪৬ রানে তাইজুল ইসলাম তুলে নেন গ্যারি ব্যালান্সের উইকেট। তার বলে ইমরুল কায়েসের তালুবন্দি হন ব্যালান্স।
মঈন আলী ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেও সফল হননি। ব্যক্তিগত ১৪ রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাকিবের শিকারে পরিণত হন তিনি। এসময় দলের রান ছিল ৬২।
বিপর্যয়ে পড়া ইংল্যান্ডের ইনিংসকে ধীরে ধীরে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান জনি বেয়ারস্টো ও বেন স্টোকস। তাদের ১২৪ রানের জুটি ভাঙেন টাইগার বোলার কামরুল ইসলাম রাব্বি।
৪৭ রান করা ইংলিশদের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান বেয়ারস্টো বোল্ড হন। এরপর সাকিবের ঘূর্ণিতে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন স্টোকস। তিনি ৮৫ রান করেন।
মাসুম/এআই





