ভারতের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ৩১৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই সাজঘরে ফিরে গেছেন তামিম ইকবাল।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ২১ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। ক্রিজে আছেন সৌম্য সরকার (১৩) ও লিটন দাস (১)।
বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথম ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩১৭ রান করে টসে হেরে যাওয়া ভারত।
মান বাঁচানোর লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা ভারতের দুই ওপেনার এদিন ঠান্ডা মাথায় ব্যাটিং শুরু করেন। ফলে উইকেট পেতে ৬ ওভারেরও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয় টাইগারদের।
অবশেষে সপ্তম ওভারের শেষ বলে রোহিতকে বিদায় করে দেন টাইগার যাদু মুস্তাফিজুর রহমান। তার বল ঠেকাতে গিয়ে উইকেটরক্ষক লিটন কুমারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ২৯ বলে ২৯ রান করা রোহিত।
ওয়ানডাউনে নামা কোহলিকে নিয়ে রানের চাকা ঘুরিয়ে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শিখর ধাওয়ান। এতে তাদের জুটিতে থেকে আসে ৭৫ রান।
এই জুটিকে আর বাড়তে দেননি বাংলাদেশের অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ২০তম ওভারের পঞ্চম বলে কোহলিকে সরাসরি বোল্ড করে দেন তিনি। ৩৫ বলে মাত্র ২৫ রান জুটল কোহলির ভাগে।
হাফ-সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যাওয়া ধাওয়ানকে শিখর থেকে মাটিতে নামিয়ে দেন মাশরাফি ও নাসির। মাশরাফির বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে নাসিরের অসাধারণ ক্যাচে পরিণত হন ৭৩ বলে ৭৫ রান করা এই ব্যাটসম্যান।
রাইদুকে সঙ্গে নিয়ে ধোনি এক শক্তিশাল জুটি গড়ে তোলেন। ধোনির পর রাইদুও হাফ সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যান। অবশেষে মাশরাফি তাদের জুটি ভাঙেন। ৪৪ রান করা রাইদু লিটনের হাতে ক্যাচ আউট হলে ভেঙে যায় তাদের ৯৩ রানের জুটি।
প্রথম ম্যাচে পেসার মুস্তাফিজকে ধাক্কা দিয়ে যেন বিপদেই পড়লেন ভারতীয় অধিনায়ক ধোনি। দ্বিতীয় ম্যাচে বল হাতে তার উইকেট শিকার করার পর তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে প্রতিশোধ নিলেন মুস্তাফিজ। মাশরাফির বলে ধোনি বিদায় হওয়ার আগে ৬৯ রান করেন।
২১ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে রায়না বিদায় নেয়ার আগে রানের ভিতটা মজবুত করে দিয়ে যান। বিনি ১৭ ও পাটেল ১০ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের বোলার মাশরাফি তিনটি উইকেট শিকার করেন। দুটি উইকেট পান মুস্তাফিজ। বাকি উইকেটটি পান সাকিব।
জেডআই





