টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। শুরুতেই চাপের মধ্যে পড়ে ইংলিশ শিবির।
রুটের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও শেষ দিকে উইলির ১৪ বলে ২১ রানের সুবাদে ইংল্যান্ডের ইনিংস গিয়ে থামে ১৫৫ রানে।
প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরে ফিরেছেন ওপেনার জ্যাসন রয়। স্যামুয়েল বদ্রির বলে সরাসরি বোল্ড তিনি। দুই বল খেললেও রানের খাতা খুলতে পারেননি রয়। ইংল্যান্ডের দলীয় রানও তখন শূন্য।
শুরুর বিপর্যয় কাটাতে পারেননি তারা। বরং দলীয় ৮ রানের মাথায় বিদায় নিয়েছেন আরেক নির্ভরযোগ্য ওপেনার আলেক্স হেলস।
তিন বলে এক রান করে তিনি রাসেলের বলে বদ্রীর হাতে তালুবন্দী হন। দলের এমন বাজে পরিস্থিতিতে হাল ধরতে পারেননি অধিনায়ক মরগ্যান।
টেস্ট মেজাজে খেলতে থাকলেও থিতু হতে পারেননি উইকেটে। ১২ বলে ৫ রান করে বদ্রীর শিকার তিনি। স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন ক্রিস গেইলের হাতে। ২৩ রানে নেই ইংল্যান্ডের তখন তিন উইকেট।
এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠার আগেই সাজ ঘরে ফিরতে হলো বাটলারকে ।এর পর রুট হাল ধরে রাখলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে সাবেক চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের।
রুটের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও শেষ দিকে উইলির ১৪ বলে ২১ রানের সুবাদে ইংল্যান্ডের ইনিংস গিয়ে থামে ১৫৫ রানে।
টি২০ বিশ্বকাপে দুদলই সাবেক চ্যাম্পিয়ন। ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো শিরোপার দেখা পায় ইংল্যান্ড। ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে প্রথম শিরোপার দেখা পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম কোন দল দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিততে চলেছে। কে জিতবে, তা সময়ই বলে দেবে।
টি২০ পরিসংখ্যানে এগিয়ে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৪বারের মোকাবেলায় ৯টিতেই জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে টি২০ বিশ্বকাপে একক আধিপত্য গেইলদের। এ পর্যন্ত চারবার বিশ্ব আসরে মুখোমুখি হয়েছে দল দুটি। যেখানে চারটিতেই জিতেছে ক্যারিবীয় শিবির।
ইংল্যান্ড একাদশ : জ্যাসন রয়, হ্যালেস, জো রুট, ইয়ন মরগ্যান, জস বাটলার, বেন স্টোকস, মঈন আলী, ক্রিস জর্ডান, উইলি, আদিল রশীদ ও প্লাংকেট।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ : চার্লেস, গেইল, স্যামুয়েলস, সিমন্স, রাসেল, রামদিন, ব্রাভো, সামি, ব্রাফেট, বদ্রি ও সুলেমান বেন।
এসএম





