লঙ্কার শিবিরে ফের আঘাত হেনেছে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের টাইগাররা। ৮ম উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ যুবারা। লঙ্কানদের হয়ে সবশেষ ফিরেছেন শূন্য রান করা সিলভা।

তাকে সাজঘরের পথ ধরান মোহাম্মদ হাসান।

৪৫ ওভার শেষে লঙ্কানদের সংগ্রহ ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান।

আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে আগে টস জিতে ব্যাটিং নেয় লঙ্কানরা।

১২তম ওভারে এসে স্বাগতিক বাংলাদেশ প্রথম উইকেটের দেখা পায়। মেহেদি হাসান মিরাজ ফিরিয়ে দেন লঙ্কান ওপেনার সালিন্দু পেরেইরাকে।

মেহেদির দারুণ এক ঘূর্ণিতে বলের লাইন মিস করলে লঙ্কান এই ওপেনারকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন জাকের আলি। আউট হওয়ার আগে পেরেইরা করেন ৩৪ রান।

১২তম ওভারে লঙ্কান ওপেনার পেরেইরাকে ফিরিয়ে দিয়ে মাঝে এক ওভার বিরতির পর আবারো বোলিং আক্রমণে এসে মেহেদি হাসান মিরাজ তুলে নেন লঙ্কানদের আরেক ওপেনার কামিন্দু মেন্ডিসকে। মেহেদির বলে এলবির ফাঁদে পড়ার আগে মেন্ডিস ৩১ বলে করেন ২৬ রান।

টাইগার যুবাদের দলপতি মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত স্পিনে লঙ্কানদের প্রথম তিন টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফেরেন। ১৮তম ওভারে মেহেদি ফিরিয়ে দেন আভিস্কা ফার্নান্দোকে। উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো জাকের আলির গ্লাভসবন্দি হয়ে বিদায়ের আগে তিনি ৬ রান করেন।

ইনিংসের ২৭তম ওভারে এসে টাইগার যুবারা চতুর্থ উইকেটের দেখা পায়। মেহেদি হাসান রানার বলে উইকেটের পেছনে জাকের আলির গ্লাভসবন্দি হয়ে ফেরেন সামু আসান। বিদায়ের আগে এ লঙ্কান ৩২ বলে চারটি চার আর একটি ছক্কায় করেন ২৭ রান।

এরই ধারাবাহিকতায় লঙ্কানরা হারান ৮ম উইকেট।

গত বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যুবাদের কাছে তিন উইকেটে হারলে ফাইনালে খেলার স্বপ্নভঙ্গ হয় বাংলাদেশের। স্বপ্নযাত্রা থমকে যায় মেহেদি হাসান মিরাজের দলের। অন্যদিকে প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৯৭ রানের বড় ব্যবধানে হারে লঙ্কানরা।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটিকেও বেশ গুরুত্ব দিয়েই বিবেচনা করছে বাংলাদেশ। কারণ, এর আগের কোনো বিশ্বকাপে বাংলাদেশের যুব দল সেমিফাইনাল অব্দি পৌঁছাতে পারেনি।

২০০৬ সালের যুব বিশ্বকাপে মুশফিক-সাকিব-তামিমরা পঞ্চম হয়েছিলেন। দীর্ঘসময় ধরে এটিই ছিল বাংলাদেশের সেরা সাফল্য।

কিন্তু ইতিহাসের শেকল ভেঙে সেমি পর্যন্ত তো গিয়েছে মেহেদির দল। তাইতো তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচও গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের কাছে।

এমকে