মাহমুদউল্লাহ যখন তামিমের সঙ্গে জুটি বাঁধলেন সে সময় বাংলাদেশ দল ঘোর বিপদেই। খুব অল্প রানের মধ্যেই ইমরুল কায়েস ও মুমিনুল হকের বিদায় দলকে বিপর্যয়ের মুখেই ঠেলেছিল। কিন্তু তামিম ইকবাল আর মাহমুদউল্লাহর জুটি সেই বিপর্যয় পেছনে ফেলে উল্টো চোখ রাঙিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকাকেই। তবে আলোর পথ দেখাতে দেখাতেই ডিন এলগারের বলে সুইপ করতে গিয়ে অপমৃত্যু ঘটেছে তামিম ইকবালের দারুণ ধৈর্যশীল ইনিংসটির। তামিম ফিরেছেন ৫৭ রানে। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে তিনি গড়েছেন ৮৯ রানের দারুণ এক জুটি। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৭৮।
গোটা ইনিংসেই তামিম ছিলেন ধৈর্যের প্রতিমূর্তি। ১২৯ বল খেলে তাঁর ৫৭ রানের ইনিংসে চারের মার মাত্র তিনটি। ব্যাট হাতে নিজের অন্য দিকটা দেখানোর প্রতিজ্ঞাই হয়তো তিনি করেছিলেন। কিন্তু ফিরে গেলেন এলগারের একটি ফুল লেংথ বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে। ইনিংসটাকে বড় করতে না পারার আফসোসটা তাঁর কিন্তু থাকছেই।
মাহমুদউল্লাহও ফিফটি পেয়েছেন। ৬৭ রান করে এখনো অপরাজিত তিনি। তামিম ফেরায় তাঁর দায়িত্বটা আরও বেড়েছে। এই মুহূর্তে ১৬ রান নিয়ে ক্রিজে তাঁর সঙ্গী মুশফিকুর রহিম।
এখনো পর্যন্ত উইকেট-শূন্য ডেল স্টেইন। ১১ ওভার বল করে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য খুব ভীতিকর কিছু হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। মরকেল কিংবা ফিল্যান্ডারদেরও একই অবস্থা। সেই তুলনায় ফন জিল ও হারমারের মতো তুলনামূলক কম পরিচিতরাই চাপে ফেলেছেন বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের প্রথম দুটো উইকেটই তুলে নিয়েছিলেন ফন জিল ও হারমার, তৃতীয় উইকেটটি নিলেন গোটা ক্যারিয়ারেই এর আগে মাত্র চারটি উইকেট পাওয়া ডিন এলগার।
কেএইচ





