শুরু হয়েছে ক্রিকেটের অন্যতম বড় মহাযজ্ঞ। দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর পর মাঠে গড়িয়েছে ৭ম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
গত রোববার ( ১৭ অক্টোবর) ক্রিকেটের টি-টোয়েন্টি সংস্করণের শুরুটাও হয়েছে দুই খর্বশক্তির দল ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির ম্যাচ দিয়ে, বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টায়।
একই দিনে রাত ৮টায় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ওমানের মাসকাট ক্রিকেট একাডেমি মাঠে হেরেছে বাংলাদেশ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ-স্কটল্যান্ডের ম্যাচটির আগে দুশ্চিন্তায় ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল।
তিনি দুশ্চিন্তার ২ টি কারণ উল্লেখ করেছিলেন—
প্রথমত ব্যাটাররা কেউ ফর্মে নেই। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ত বাংলাদেশ এমন একটি দলের বিপক্ষে খেলে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে, যাদের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশের জেতার রেকর্ড নেই।
স্কটল্যান্ডের সঙ্গে এর আগে একটিই টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। সেটিতে হেরেছিলেন টাইগাররা।
২০১২ সালের সেই ম্যাচে দলে ছিলেন আশরাফুল। সেই স্মৃতিচারণ করেই দুশ্চিন্তায় ডুবেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রথম পোস্টার বয়।
গণমাধ্যমে আশরাফুল নিজের কলামে লিখেছিলেন, ‘স্কটল্যান্ড বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে, দুটিতেই জিতেছে।
উল্টো দিকে বাংলাদেশ নিজের প্রস্তুতি ম্যাচে দুটোতেই হেরেছে। শ্রীলংকা আর আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে গেলাম আমরা।
ওমান ‘এ’ দলের সঙ্গে জিতেছি। কিন্তু শ্রীলংকা না হলেও আয়ারল্যান্ডের কাছে হারটা মেনে নেওয়া যায় না।
বিশ্বকাপের আগে টানা ৩ টি সিরিজ জেতায় বাংলাদেশ দলের বেশি আত্মবিশ্বাসী হওয়ার কিছু নেই বলে মনে করেন আশরাফুল।
বললেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ২টি সিরিজে মিরপুরের ডেড উইকেটে খেলে আমরা জিতেছি।
ব্যাটাররা রান পায়নি। এমন উইকেটে খেলা হয়েছে যে, বোলারদের পক্ষেও পূর্ণ আত্মবিশ্বাস অর্জন সম্ভব নয়।
কিন্তু ওমানের মাসকাটের উইকেটে প্রচুর রান আছে। আর এমন মুহূর্তে বাংলাদেশের বেশিরভাগ ব্যাটার ফর্মে নেই। লিটন দাস, মোহাম্মদ নাঈম থেকে শুরু করে মুশফিকুর রহিম— সবার ব্যাটেই খরা।
নুরুল হাসান কিছুটা রান পেয়েছে ওয়ান ‘এ’ দলের বিপক্ষে। সেটি কী যথেষ্ট?
আসলেই আমি বাংলাদেশের ব্যাটারদের ফর্ম নিয়ে চিন্তিত। টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের দায়িত্ব বেশি।’
এইচএন





