জীবনের শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেললেন নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। সেই ম্যাচ তো জিতেছেই দল, চ্যাপেল হ্যাডলি ট্রফিও জিতল ব্লাকক্যাপসরা।
অবসরের ঘোষণা অনেক আগেই দিয়েছিলেন এ মারকুটে ব্যাটসম্যান। জীবনের শেষ ম্যাচে কী চাওয়া থাকতে পারে দীর্ঘ ১৪ বছর দলের হয়ে খেলা এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের। অবশ্যই জয়। আর সেই কাজটিই সফলভাবে করলেন তার সতীর্থরা। অস্ট্রেলিয়াকে ৫৫ রানে হারিয়ে অধিনায়ক ম্যাককালামকে যেন চ্যাপেল হ্যাডলি ট্রফিই উপহার দিলেন।
সোমবার হ্যামিল্টনে শেষ ম্যাচও যেন স্মরণীয় করে রাখলেন ম্যাককালাম। জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচেও যেন তার সেই স্বভাবসুলভ ব্যাটিং দেখলো ভক্তরা।
এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নামে কিউইরা। নেমেই ম্যাককালাম তাণ্ডব। ২৭ বলে খেললেন ৪৭ রানের ইনিংস। ৬টি চার এবং ৩টি ছয় মারেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ২০০টি ছক্কা মেরে রেকর্ড গড়েন ম্যাককালাম।
ম্যাককালামকে আউট করে অবশ্য নিজেকেও স্মরণীয় করে রাখলেন অজি বোলার মিচেল মার্শ। কেননা আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার উইকেটটি তো আর কেউ নিতে পারবেন না।
শেষ পর্যন্ত গাপটিল এবং এলিয়টের ব্যাটে ভর করে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৪৫ রান করে স্বাগতিকরা।
২৪৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে মিচেল মার্শ এবং ওপেনার উসমান খাজা ছাড়া আর কেউ তেমন সুবিধা করতে পারেননি। তাদের ব্যাটে ভর করে ১৯১ রান করতে সক্ষম হয় সফরকারীরা। উসমান খাজা ৪৪ এবং মার্শ ৪১ রান করেন। নিউজ্যিলান্ডের হয়ে হেনরি ৩টি, আন্ডারসন ও সৌদি ২টি করে এবং মিলনে ও ব্রেসওয়েল ১টি করে উইকেট লাভ করেন।
এই ম্যাচ জিতে ২-১ এ সিরিজ জিতে চ্যাপেল হ্যাডলি ট্রফি জিতে নিল ব্লাকক্যাপসরা।
আর শেষ ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে চ্যাপেল হ্যাডলি ট্রফি জিতে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখলেন বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান ম্যাককালাম।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই একদিনের ম্যাচে অভিষেক হয় ম্যাককালামের। ২৬০ ম্যাচে ২২৮ ইনিংসে ৩০ গড়ে ৬০৮৩ রান করেন তিনি। একদিনের ম্যাচে ২৬০টি ক্যাচ নেন এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।
ওএফ





