সিলেটের পর ঢাকায় এসেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও দাপট দেখালো টাইগার বাহিনী।
দুই নির্ভরযোগ্য ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের দারুণ সূচনার পর নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০০ রান।
দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে সোমবার (০৯ মার্চ) টসে জিতে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে পাঠান জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক শন উইলিয়ামস। তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের ব্যাটে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা হয়।
উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৯২ রান। কিন্তু মাধাভেরে বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে উইলিয়ামসের হস্তগত হন তামিম। মাঠ ছাড়ার আগে ২টি ছক্কা ও ৩টি চারের মাধ্যমে ৪১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন এই টাইগার ওপেনার।
এদিকে, শুরু থেকেই দাপটে ব্যাটিং করছেন ওয়ানডের সর্বোচ্চ রানধারী লিটন দাস। ৩টি ছক্কা ও ৪টি চারের মাধ্যমে হাঁকিয়েছেন অর্ধশতক। সিকান্দার রাজার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে মাঠ ছাড়ার আগে ৩৯ বলে ৫৯ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। যেখানে ছিলো ৫টি চার ও ৩টি ছক্কার মার।
এরপর সৌম্য সরকার ও মুশফিকুর রহিমের জুটিও সমান তালেই এগিয়ে যেতে থাকে। তবে দলীয় ১৪৬ রানের মাথায় এমপোফুর বলে ভুল শটে উইলিয়ামসের হাতে ক্যাচ বন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। তার ব্যাট থেকে ৮ বলে আসে ১৭ রান। যার মধ্যে ছিলো ২টি ছক্কা।
বিয়ের পর মাঠে ফিরেই নিজের ব্যাটে ঝলকানি দেখালেন সৌম্য সরকার। ৩০ বলে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক। এরপর পরপর দুই বলে দুই ছক্কা হাকিয়ে ৩২ বলে অপরাজিত থেকে খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ৬২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। যার মধ্যে ৫টি ছক্কা ও ৪টি চারের মার ছিলো। অন্যপ্রান্তে ৯ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, শফিউল ইসলাম।
জিম্বাবুয়ে একাদশ: সিকান্দার রাজা, শন উইলিয়ামস (অধিনায়ক), ক্রেগ আর্ভিন, তিনাশে কুমুনুকাম্বে, ওয়েলসি মাদেভেরে, ক্রিস পোফু, রিচমন্ড মুটুম্বামি, কার্ল মুম্বা, টিনোটেন্ডা মুটোমবোজি, ব্রেন্ডন টেলর, ডোনাল্ড তিরিপানো।
এমবি





