ওভালে ব্যাট হাতে ইংলিশ বোলারদের কড়া শাসন করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ইউনিস খান। তুলে নেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ডাবল সেঞ্চুরি। তার ২১৮ রানের ইনিংসে ভর করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৫৪২ রান করে পাকিস্তান। ২১৪ রানের লিড নেয় সফরকারীরা।
জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে শনিবার তৃতীয় দিন শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ৮৮ রান। এ রান তুলতে ৪ উইকেট হারায় ইংলিশরা। সফরকারীরা এখনও ১২৬ রানে পিছিয়ে।
শুক্রবার দ্বিতীয় দিনে ৩২তম সেঞ্চুরি তুলে নেন ইউনিস খান। ১০১ রানে শনিবার তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান। তার সঙ্গে ছিলেন সরফরাজ আহমেদ। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে রানের চাকা সচল রাখেন ইউনিস। অন্যদিকে সরফরাজ আহমেদ রক্ষণাত্মক কৌশলে ব্যাটিং করেন।
হাফ সেঞ্চুরি থেকে ৬ রান দূরে থেকে সরফরাজ আহমেদ পেসার ওয়কসের বলে ফিরে গেলেও ইউনিস ছিলেন দূর্দান্ত। লেট অর্ডার ব্যাটসম্যানদের নিয়ে একাই লড়াই চালিয়ে যান ৩৮ বছর বয়সি ইউনিস। তাকে নবম উইকেটে দারুণ সঙ্গ দেন আমির। ইউনিস ২১৮ রানে ফিরে যাওয়ার পর মোহাম্মদ আমির ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ৩০৮ বলে ৩১ চার ও ৪ ছক্কায় ২১৮ রানের ইনিংসটি সাজান ইউনিস। জেমস এন্ডারসনের অসাধারণ ইয়র্কারে এলবিডাব্লিউ’র শিকার হন ইউনিস।
পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১৪ রানে কুককে হারায় ইংল্যান্ড। ওয়াহাব রিয়াজের বলে ইফতিকারের হাতে ক্যাচ দেন ইংলিশ অধিনায়ক। ১৮তম ওভারে মিসবাহ-উল-হক ইয়াসির আলীকে বোলিংয়ে নিয়ে আসেন।
এরপর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি মিসবাহ, ইয়াসির শাহকে। লেগ স্পিনার ৫ ওভারে তুলে নেন ৩ উইকেট। অ্যালেক্স হেলস (১২), ভিঞ্চ (০) ও জো রুটকে (৩৯) দ্রুত সাজঘরে পাঠান ইয়াসির শাহ। দ্রুত ৩ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে চালকের আসনে রেখে দিন শেষ করেন ইয়াসির। ব্যালেন্স ৪ ও ব্রেয়াটসো ১৪ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন।
এমএনজে





