একটি জয়। শুধু একটি জয়ের জন্য ৩১ বছর অপেক্ষায় ছিল জিম্বাবুয়ে। ১৯৮৩ সালে সেই প্রথম ও শেষবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছিল তারা। এরপর অসিদের বিপক্ষে জয় নামক সোনার হরিণটি অধরাই থেকে গিয়েছিল। অবশেষে তাদের অপেক্ষার অবসান হলো। ত্রিদেশীয় সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারল চিগুম্বুরারা। রোববার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে তিন উইকেটে জয় পেয়েছে তারা।

এই ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের পরিসংখ্যানটাও ভালো ছিল না। শেষ চার ম্যাচের কোনোটিতেই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ২০০-ঊর্ধো স্কোর করতে পারেনি। শেষ ছয় ম্যাচেই অল আউট হয়েছে আফ্রিকান দেশটি।

চলতি সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচেও শোচনীয় অবস্থা ছিল জিম্বাবুয়ের। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছেই বড় ব্যবধানে হেরেছিল তারা। এতে বোনাস পয়েন্টও পেয়েছিল সফরকারী দলটি। দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাও বোনাস আদায় করে নিয়েছিল। ছিল পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে।

এই ম্যাচে টসে হেরে প্রথমে বল হাতে মাঠে নামে জিম্বাবুয়ে। তবে শুরু থেকেই আলো ছড়ায় বোলাররা। অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১১ রান সংগ্রহ করতেই ফিঞ্চকে সরাসরি বোল্ড করে দেন নাইয়ুম্বু। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট শিকার করায় শতরান পূর্ণ করার আগে ৫ উইকেট হারায় অসিরা।

শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে নয় উইকেটে মাত্র ২০৯ রান সংগ্রহ করতে পারে ক্যাঙ্গারুবাহিনী। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন দলনেতা মাইকেল ক্লার্ক। এই স্কোর করে মাঠ থেকে উঠে যান তিনি। এছাড়া হ্যাডিনের ৪৯ রান উল্লেখযোগ্য। জিম্বাবুয়ের বোলার উৎসয়ো, টিরিপানো ও উইলিয়ামস দুটি করে উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ৪২ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। দলীয় ১০০ রানে মাসাকাদজা আউট হলেও তিন উইকেটের পতন হয়। কিন্তু ১৫৬ রানে সাতটি উইকেট হারালে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দলটি।

এরপর অধিনায়ক চিগুম্বুরা ও উৎসেয়ার ব্যাটে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা। তিন উইকেটে জয় পায় দলটি। চিগুম্বুরা ৫২ ও উৎসেয়া ৩০ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া ব্রেন্ডন টেইলরের ৩২ রান উল্লেখযোগ্য।

ঢাকা, ৩১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেডআই

৩১ বছরের অপেক্ষার অবসান হলো জিম্বাবুয়ের

একটি জয়। শুধু একটি জয়ের জন্য ৩১ বছর অপেক্ষায় ছিল জিম্বাবুয়ে। ১৯৮৩ সালে সেই প্রথম ও শেষবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছিল তারা। এরপর অসিদের বিপক্ষে জয় নামক সোনার হরিণটি অধরাই থেকে গিয়েছিল। অবশেষে তাদের অপেক্ষার অবসান হলো। ত্রিদেশীয় সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারল চিগুম্বুরারা। রোববার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে তিন উইকেটে জয় পেয়েছে তারা।

এই ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের পরিসংখ্যানটাও ভালো ছিল না। শেষ চার ম্যাচের কোনোটিতেই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ২০০-ঊর্ধো স্কোর করতে পারেনি। শেষ ছয় ম্যাচেই অল আউট হয়েছে আফ্রিকান দেশটি।

চলতি সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচেও শোচনীয় অবস্থা ছিল জিম্বাবুয়ের। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছেই বড় ব্যবধানে হেরেছিল তারা। এতে বোনাস পয়েন্টও পেয়েছিল সফরকারী দলটি। দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাও বোনাস আদায় করে নিয়েছিল। ছিল পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে।

এই ম্যাচে টসে হেরে প্রথমে বল হাতে মাঠে নামে জিম্বাবুয়ে। তবে শুরু থেকেই আলো ছড়ায় বোলাররা। অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১১ রান সংগ্রহ করতেই ফিঞ্চকে সরাসরি বোল্ড করে দেন নাইয়ুম্বু। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট শিকার করায় শতরান পূর্ণ করার আগে ৫ উইকেট হারায় অসিরা।

শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে নয় উইকেটে মাত্র ২০৯ রান সংগ্রহ করতে পারে ক্যাঙ্গারুবাহিনী। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন দলনেতা মাইকেল ক্লার্ক। এই স্কোর করে মাঠ থেকে উঠে যান তিনি। এছাড়া হ্যাডিনের ৪৯ রান উল্লেখযোগ্য। জিম্বাবুয়ের বোলার উৎসয়ো, টিরিপানো ও উইলিয়ামস দুটি করে উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ৪২ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। দলীয় ১০০ রানে মাসাকাদজা আউট হলেও তিন উইকেটের পতন হয়। কিন্তু ১৫৬ রানে সাতটি উইকেট হারালে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দলটি।

এরপর অধিনায়ক চিগুম্বুরা ও উৎসেয়ার ব্যাটে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা। তিন উইকেটে জয় পায় দলটি। চিগুম্বুরা ৫২ ও উৎসেয়া ৩০ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া ব্রেন্ডন টেইলরের ৩২ রান উল্লেখযোগ্য।

ঢাকা, ৩১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেডআই