সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও ভালো বল করতে পারেননি বাংলাদেশের বোলাররা। এই সুযোগে ক্যারিয়ার-সেরা ব্যাটিং করে ১৭৬ রান তুলে নিয়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। আর ৩৫৩ রানের পাহাড়সম স্কোর গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশকে জিততে হলে করতে হবে বিশ্বরেকর্ড।  আর সেটা করতে গিয়ে শুরুটা ভালোই করেছিল টাইগাররা। তবে এরপরই ঘটে ছন্দপতন।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৩ ওভারে ৭৭/২ রান তুলেছে সফরকারীরা। ইমরুল কায়েস ৩১,মুশফিক ৪ রানে ব্যাটিং করছেন। তামিম ইকবাল ২৩ রান করে আউট হয়েছেন। এরপর লিটন দাস ফিরে যান ১৪ রানে।

আজ শুরু থেকেই বেশ ইতিবাচকভাবে ব্যাটিং শুরু করেন তামিম ও ইমরুল। দলীয় ৪৪ রানে ডিন প্রিটোরিয়াসের বলটা ঠেকাতে পারেননি তামিম। বল এসে লাগে তাঁর প্যাডে। প্রোটিয়া ফিল্ডারদের আবেদনে সাড়া দিতে মোটেও সময় নেননি আম্পায়ার। তামিমও রিভিউ নেওয়ার সাহস করেননি।

এরপর ভালো খেলছিলেন লিটন দাস। ফেলুকায়োর বলে তিনিও লেগ বিফোর হন। রিভিউ নিলেও বাঁচতে পারেননি এই ব্যাটসম্যান।

এর আগে পার্লের বোল্যান্ড পার্কে চার উইকেটে ৩৫৩ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও সাবলীলভাবে ব্যাটিং করছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার কুইন্টন ডি কক ও হাশিম আমলা। উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেছিলেন ৯০ রান। এরপর ১৮তম ওভারে অবশ্য বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি ফিরিয়েছেন সাকিব আল হাসান। এক ওভারেই আউট করেছেন ডি কক ও ফাফ দু প্লেসিকে।

এরপরও অবশ্য বাংলাদেশকে স্বস্তিতে থাকতে দেননি আমলা ও এবি ডি ভিলিয়ার্স। দ্রুতগতিতে ব্যাটিং করে তৃতীয় উইকেটে তাঁরা গড়েছিলেন ১৩৬ রানের জুটি। ৩৬তম ওভারে এই জুটি ভাঙতে পেরেছেন রুবেল হোসেন। সাজঘরে ফিরিয়েছেন ৮৫ রান করা আমলাকে। তবে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা হয়ে উইকেটে টিকে ছিলেন ডি ভিলিয়ার্স।

৪৮তম ওভারে ডি ভিলিয়ার্স যখন ফিরে যান, প্রোটিয়াদের রান ৩৪৩! ক্যারিয়ার-সেরা ১৭৬ রান করেন এই ব্যাটসম্যান। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ১৬২ রান করেছিলেন ভিলিয়ার্স। আজ মাত্র ৬৮ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০৪ বলে ১৫ চার ও সাত ছয়ে ১৭৬ রান করেন ভিলিয়ার্স। তবে শেষের দিক জেপি ডুমিনি ও বেহারডিন মিলে রানটাকে ৩৫৩ পর্যন্ত নিয়ে যান।