মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৮.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৬রান তুলেছে রাজশাহী কিংস। উইকেটে আছেন ড্যরেন সামি  ২১ও সোহান  ৩ রানে।

এর আগে ৬১ বলে ৯ ছয় ও ৯ টি চারে ১২২ রানের অসাধারন এক ইনিংস খেলেন সাব্বির রহমান।

এর আগে রাজশাহীর অধিনায়ক ড্যারেন স্যামির আমন্ত্রণে টস হেরে ব্যাটিংয়ে এসে নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছে বরিশাল। অধিনায়ক মুশফিকের অপরাজিত ৮১ ও নাফিসের ৬৩ রানে চলতি আসরের সর্বোচ্চ এই পুঁজি দাঁড় করায় দলটি।

শুরুতে ফরহাদ রেজার জোড়া আঘাতে ২১ রানেই দুই উদ্বোধনীকে হারিয়ে বসেছিল বরিশাল। দিলশান মুনাবিরা (০) ও  ডাওয়িড মালানকে (১৩) ফেরান ফরহাদ। এরপর মুশফিক-নাফিসের ব্যাটে আসে ঘুরে দাঁড়ানো পাল্টা প্রতিরোধ।

দুই অভিজ্ঞ মুশফিক-নাফিস মিলে এসময় উইকেট ধরে রাখার পাশাপাশি রানের চাকা সচল রেখে ১১২ রানের জুটি গড়েন। ৯.৪৬ স্ট্রাইক রেটে রান তোলার পথে তাদের প্রতিরোধটি ছিল ১১.৫ ওভার স্থায়ী। স্যামির বলে উইকেটরক্ষক সোহানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৬৩ রানের ঝলমলে একটি ইনিংস খেলেছেন নাফিস। ৪টি করে চার-ছয়ে ৪৪ বলে নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি।

নাফিস ফেরার পর ফিফটি তুলে নিয়েছেন মুশফিকও। বুলস অধিনায়ক শেষ পর্যন্ত ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন ৫ চার ও ৪ ছয়ে ৫২ বলের ঝড়ো ইনিংস সাজিয়ে। শেষ দিকে থিসারা পেরেরার সঙ্গে তার জুটিটি ছিল ৫৯ রানের। চার ওভারে ১৪.৭৫ স্ট্রাইক রেটে এই রান যোগ করেছেন দুজনে। পেরেরা ৩ ছয়ে ১১ বলে ২৪ রান করেছেন।
রাজশাহীর হয়ে ফরহাদ রেজা ২টি ও স্যামি ১টি উইকেট নিয়েছেন।
এআই