টেস্টে রেকর্ডের আরেক নাম মিজবাহ। কথাটা চমকে উঠার মতো হলেও এটাই বলা চলে। কারণ একই দিনে টেস্ট ইতিহাসে তিনটি রেকর্ডের খাতায় নাম লিখিয়েছেন তিনি। এককভাবে টেস্টে দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির রেকর্ডের সঙ্গে যৌথভাবে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডও তার। আর একই টেস্টে একই দলের দু'জন খেলোয়াড়ের জোড়া সেঞ্চুরির রেকর্ডের তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আবু ধাবি টেস্টের চতুর্থ দিন রোববার এই রেকর্ডগুলো করেন পাকিস্তানের অধিনায়ক।

এদিন প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি করা ইউনিস খান আউট হলে মাঠে নামেন মিজবাহ উল হক। ইউনিসকে আউট করা স্মিথের উপর যেন ক্ষেপেছিলেন অধিনায়ক। বাউন্ডারি দিয়ে রানের খাতা খোলেন তিনি। পরের বলে নেন এক রান। মার্শের ওভারে তিন বল খেললেও মাত্র এক রান নেন। এরপর আবার স্মিথ। তার এ ওভারে ২২ রান নিয়ে ক্ষোভ মিটালেন। এর সুবাদে মাত্র ২১ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়ে ফেলেন। ভেঙ্গে দেন ২০০৫ সালে জ্যাক ক্যালিসের ২৪ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করার রেকর্ড।

এখানেই থেমে থাকেননি। ৫৬ বলে সেঞ্চুরি করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক গ্রেট ভিভিয়ান রিচার্ডসের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি স্পর্শ করেন তিনি। ১৯৮৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে ৫৬ বলে সেঞ্চুরি করে এই ফরমেটে দ্রুততম শতক হাঁকানোর রেকর্ড গড়েছিলেন রিচার্ডস।

এই সেঞ্চুরির ফলে আরো একটি রেকর্ডের খাতায় নাম লেখান মিজবাহ। এই রেকর্ডের অংশীদার আযহার আলীও। একই ম্যাচে একই দলের দু'জন খেলোয়াড়ের জোড়া সেঞ্চুরি করার রেকর্ডে দ্বিতীয় জুটি তারা। এর আগে ১৯৭৪ সালে ইয়ান ও গ্রেগ চ্যাপেল দুই ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরি করে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছিলেন।

প্রথম ইনিংসে আযহার আলী ১০৯ রান করে আউট হয়েছিলেন। আর মিজবাহ করেছিলেন ১০১ রান। দ্বিতীয় ইনিংনে ১০০ রান করেছেন আযহার। আর মিজবাহ আবারও করেছেন ১০১ রান। অপরাজিত ছিলেন দু'জনই।

জেডআই